ইবির নতুন হলে আবাসন বঞ্চিত চার বিভাগের শিক্ষার্থীরা
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১৪:৩১ | অনলাইন সংস্করণ
সাব্বির আহমেদ, ইবি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শুরু হয়েছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়টি হলে শিক্ষার্থীদের আবাসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথমবারের মতো নবনির্মিত শহীদ আবরার ফাহাদ হলের একটি ব্লকে ৪০০ আসনে নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন বরাদ্দ দেওয়া হলেও স্বতন্ত্র ডি ইউনিটের চার বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবাসন দেওয় হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষর্থীরা। তবে বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের নতুন করে আবাসন বরাদ্দের আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের অধীন আল-কুরআন, আল-হাদিস ও দাওয়াহ এবং কলা অনুষদের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ৩৩০ শিক্ষার্থীর ১ম মেধা তালিকার ভর্তি কার্যক্রম শেষ হয়েছে ১০-১২ মে। এসময় তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন আটটি হলে আবাসন বরাদ্দ দেওয়া হয়। এদিকে গত ৮ জুলাই নবনির্মিত শহীদ আবরার ফাহাদ হলে নবীন শিক্ষার্থীদের আসন বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে গুচ্ছভুক্ত ২০২৫-২৬ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভতি কার্যক্রম ৮-১৬ জুলাই শুরু হলে তাদের পুরাতন আটটি হলসহ নবনির্মিত হলেও আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়। ফলে ঐ হলে আসন বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত হয় ডি ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা। এতে বঞ্চিত নবীন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
ডি ইউনিটের নবীন শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের ভর্তির সময় নবনির্মিত হলের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি বলে জানায় বিভাগ। কিন্তু মাত্র দেড় মাস পরেই অন্যান্য বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের একই হলে আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমরা বৈষম্যের শিকার হয়েছি। আমাদেরও নতুন হলে আবাসন বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানাই।
ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেকেন্দার আলী বলেন, ডি ইউনিট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র ইউনিট। আমাদের ভর্তি কার্যক্রম নতুন সিদ্ধান্তের আগেই শেষ হয়েছে। তবে বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি।
প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিন বলেন, ধর্মতত্ত্ব অনুষদের তিনটি এবং আরবি বিভাগের ভর্তি কার্যক্রম আগেই শেষ হওয়ায় কোনো শিক্ষার্থীই শহীদ আবরার ফাহাদ হলে সিট বরাদ্দ পায়নি। বর্তমান প্রশাসন নতুন হলের একটি ব্লকে শিক্ষার্থীদের আসন বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে তারা সিদ্ধান্ত নিবেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান বলেন, ডি ইউনিটভুক্ত চারটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য শহীদ আবরার ফাহাদ হলে প্রাথমিকভাবে ১০০ জনের আসন বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব শিক্ষার্থীদের অন্য হলে পরিশোধিত ফি যাতে নতুন হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তর করা যায় সে বিষয়ে আইসিটি সেলের পরিচালককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
আমার বার্তা/এমই
