শরীয়তপুরে ৩টি আসনে জামানত হারিয়েছেন ১৫ প্রার্থী
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুরে তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ (১২ দশমিক ৫ শতাংশ) ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ১৫ জন প্রার্থী।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম তিনটি আসনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল ঘোষণার শিট থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জালালুদ্দীন আহমদ রিকশা প্রতীকে পান ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট।
এ আসনে ৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, নূর মোহাম্মদ মিয়া (একতারা) ৬১৬ ভোট, ফিরোজ আহমেদ (ট্রাক) ৫৫১ ভোট, আব্দুর রহমান (শাপলা কলি) ৪৭৫ ভোট, মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ (হাতপাখা) ১০ হাজার ৮১৭ ভোট, গোলাম মোস্তফা (ঘোড়া) ৩৫৯ ভোট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম (মোটরসাইকেল) ১৪ হাজার ৬৪৪ ভোট।
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শফিকুর রহমান (কিরন) ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট।
এ আসনে ৭ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, আখতারুজ্জামান সম্রাট (ট্রাক) ২৮৩ ভোট, ইমরান হোসেন (হাতপাখা) ৬ হাজার ৫০৫ ভোট, জসীমউদ্দীন (লাঙ্গল) ২ হাজার ৫৪৭ ভোট, পারভেজ মোশাররফ (কলম) ৪৪২ ভোট, মাহমুদুল হাছান (বটগাছ) ৩১৩ ভোট, আলমগীর হোসেন (কম্পিউটার) ২৪৬ ভোট এবং মো. নাসির (সোফা) ২০৬ ভোট।
শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) আসনে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৬৯ হাজার ৬৮৪ ভোট।
এ আসনে ২ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন, হানিফ মিয়া (হাতপাখা) ৯ হাজার ৮১৪ ভোট এবং আব্দুল হান্নান (লাঙ্গল) ২ হাজার ৬৪ ভোট।
আমার বার্তা/জেএইচ
