যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শনে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৫৭ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

উপমহাদেশের প্রাচীনতম জ্ঞানপীঠ যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি ও ঐতিহাসিক গ্রন্থরাজির সান্নিধ্যে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে তিনি ১৮৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গণপাঠাগারটি পরিদর্শনে আসেন।
প্রধানমন্ত্রী লাইব্রেরিতে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত প্রাজ্ঞজন, গবেষক ও যশোর ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা তাকে অভ্যর্থনা জানান। প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই লাইব্রেরির দুষ্প্রাপ্য পাণ্ডুলিপি শাখাটি ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তুলট কাগজ ও তালপাতায় হাতে লেখা মহাকবি কালিদাসের পুঁথি, প্রাচীন রামায়ণ, মহাভারত এবং চাণক্যের কালজয়ী সৃষ্টিগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে প্রত্যক্ষ করেন। প্রায় পৌনে দুইশ’ বছরের প্রাচীন এসব অমূল্য সম্পদ দেখে প্রধানমন্ত্রী মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী যশোরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাজ্ঞজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি লাইব্রেরির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে খুঁটিনাটি তথ্য জেনে নেন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার গভীর ভাবনার কথা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে ডিজিটাল আসক্তি থেকে শিশুদের মুক্ত করার বিষয়ে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সুধীজন ও সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাচ্চাদেরকে মোবাইল ফোন থেকে বের করে নিয়ে এসে বই পড়ার আগ্রহ বাড়াতে চাই। এই মহৎ কাজে আমরা অবশ্যই সফল হবো।
তিনি বলেন, প্রত্যেক প্রাইমারি স্কুলে লাইব্রেরি করে দেব। সেখানে কোনো রাজনৈতিক বই থাকবে না, যে সকল বই পড়লে বাচ্চা মনন বিকশিত হয় সেই সব বই থাকবে। বই পড়ার সাথে সাথে থাকবে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা।
এর আগে সকালে শার্শার উলাশীতে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন এবং দুপুরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ১০ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে তিনি সরাসরি যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসভাস্থলে রওনা হন।
আমার বার্তা/এমই
