ডলার সংকট না থাকায় আগামী রোজায় পণ্য আমদানি নিয়ে শঙ্কা নেই: গভর্নর

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশে ডলারের কোনো সংকট নেই। এ কারণে আগামী রোজায় পণ্যমূল্য পরিশোধে কোনো শঙ্কাও নেই।

তিনি বলেন, আমাদের এক্সটারনাল সেক্টরটা স্টেবিলাইজ হয়েছে, সেখানে কোনো ভালনারেবিলিটি নেই। ব্যাংকিং খাতে ডলারের কোনো অভাব নেই। যেকোনো পরিমাণ ডলার আপনারা কিনতে পারবেন যদি আপনি বাংলাদেশের টাকা নিয়ে আসেন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, গত বছর রমজানে পর্যাপ্ত ফরেন এক্সচেঞ্জ দিয়ে সরবরাহটাকে ঠিক করতে পেরেছিলাম। এই বছরের রমজানে আমি এখনই বলতে পারি, আমরা কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। রমজানের যেসব পণ্য আমদানি, সেটার অলরেডি এলসি ওপেনিং হয়ে গেছে।

চলতি অর্থবছরে এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এলসি ওপেনিং বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ যা গতবারের করেসপন্ডিং পিরিয়ডের চাইতে বেশি।

চালের উচ্চমূল্যের কারণে মূল্যস্ফীতি এখনও বেশি বলে মনে করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, নীতিগত ব্যর্থতার কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। শুধু চালের দাম ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্ট বেশি হয়েছে গত মাসে।

‘যদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, তবে এটিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে একটি সম্পর্ক রাখতে হবে। আমদানি বন্ধ করে রাখলে দাম বেড়ে যাবে, এমনকি পৃথিবীর অন্য দেশে দাম কমলেও তাতে কিছু আসে যায় না।’

বিশ্বের কোথাও পণ্যের দাম না বাড়লেও বাংলাদেশে বাড়ার কারণ হিসেবে আমলাতান্ত্রিক হস্তক্ষেপকে দায়ী করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, যখন চালের আমদানি খুলে দেওয়া হয়েছে, তাতে লাভ হয়নি।

গভর্নর বলেন, আমানতের হার ৬ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশ হয়েছে, এটি আরও বাড়বে।


আমার বার্তা/এমই