ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়নে আগ্রহী নতুন চীনা ব্যাংক
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের চলমান আর্থিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে সেতু বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই)-এর শেয়ার হস্তান্তর-সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে সিঙ্গাপুরে সালিশি কার্যক্রম (আরবিট্রেশন) চলছে। এর ফলে গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে প্রকল্পে অর্থায়নকারী দুটি চীনা ব্যাংকের ঋণের কিস্তি ছাড় বন্ধ রয়েছে। তবে এ সময়েও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ চালিয়ে গেছে।
এ অবস্থায় ২৯ জুলাই সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে তার কার্যালয়ে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রকল্পের বিকল্প অর্থায়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে সেতু সচিব বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ চালু হওয়ার পর প্রত্যাশার চেয়েও বেশি যানবাহন চলাচল করছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে বিনিয়োগ করা অর্থ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম এস আকতার এবং চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
এদিকে, একই দিনে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের অষ্টম সভায় ভোলা-লক্ষ্মীপুরের মধ্যে মেঘনা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প উপস্থাপন করেন সেতু সচিব। সভায় জাপানি প্রতিনিধিদল প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে এবং দক্ষিণাঞ্চলের আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এর গুরুত্বের স্বীকৃতি দেয়।
সভায় বাংলাদেশ ও জাপান অবকাঠামো উন্নয়ন, টেকসই বিনিয়োগ, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
