তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির মরদেহ, জানাজায় রেকর্ড উপস্থিতির আশা

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৩:৪৯ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে পৌঁছেছে।। তিনি ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশটির সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার জানাজায় প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ধরনের সমাগম হলে এটি ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জানাজা হবে। শুক্রবার (০৩ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জানাজার পর খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর সময় ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় খামেনি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তিনি নিহত হয়েছিলেন।

এদিকে সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও নিজের বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার নামাজ পড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নিরাপত্তাবাহিনী তাকে এ বিষয়ে অনুমতি দেয়নি। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভারতে নিযুক্ত সুপ্রিম লিডারের প্রতিনিধি হাকিম ইলাহী ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসতে চেয়েছিলেন মোজতবা। কিন্তু নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে, এটি তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে।

হাকিম ইলাহী বলেন, গত সপ্তাহে আমি ইরানে ছিলাম এবং কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেছি, যারা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি তাদের বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যে আসতে চান। এমনকি তিনি জানাজার নামাজও পড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নিরাপত্তাবাহিনী তাকে এতে সমর্থন জানায়নি।

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তাবাহিনী বলেছে, এটি তার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হবে এবং তারা তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না। তাই আমার মনে হয়, তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না।

আলি খামেনির জানাজার নামাজ পড়ানোর জন্য মোজতবা কাউকে মনোনীত করেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হাকিম ইলাহী বলেন, না, তিনি কারও নাম বলেননি। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে নতুন সর্বোচ্চ নেতাই জানাজার নামাজ পড়াতেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পরিস্থিতি এখন অনুকূলে নেই।

সূত্র: আল জাজিরা