দারুণ কাজ করেছে শিক্ষার্থীরা: ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগে রাহুল গান্ধী
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১৮:১৬ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি এই পদত্যাগকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের পথে ‘বড় পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) একটি ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, ‘দারুণ কাজ করেছে শিক্ষার্থীরা। এটি কেবল প্রথম পদক্ষেপ, তবে ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের পথে এটি একটি বড় অগ্রগতি। দেশের সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন। তোমাদের নিয়ে আমরা গর্বিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে সব তরুণ-তরুণী ও শিক্ষার্থী গণতন্ত্র, সংবিধান এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজপথে নেমে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে, তাদের প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন।’
রাহুল সরকারের নীতিতে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও কৃষকদের জন্যও বার্তায় বলেন, ‘ভয় পাবেন না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মধ্যেই প্রজ্ঞা রয়েছে। আসুন, এই সরকারকে বিদায় জানাই।’
তবে শিক্ষার্থীদের আরও দুটি দাবি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বলেও মন্তব্য করে রাহুল গান্ধী বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে এবং প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের মিছিলে দমন-পীড়নের প্রসঙ্গ টেনে রাহুল বলেন, ‘যারা এই অভিযান পরিচালনা করেছে এবং যারা তা বাস্তবায়ন করেছে, তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবাদের সময় যেসব শিক্ষার্থী নির্মম আচরণের শিকার হয়েছে, তাদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।’
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ইস্যুতে সংসদের ভেতরে ও বাইরে সরকারবিরোধী অবস্থান জোরদার করে আসছেন রাহুল গান্ধী। আন্দোলন দমনের প্রতিবাদে বিরোধী দল চলতি সপ্তাহে লোকসভা ও রাজ্যসভার কার্যক্রমও বারবার বাধাগ্রস্ত করে।
গত ২১ জুলাই, শিক্ষার্থীদের ওপর অভিযানের এক দিন পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে কংগ্রেস সংসদ সদস্যদের অবস্থান কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন রাহুল। সেখানে তিনি হামলার ঘটনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান।
এদিকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে গত দুই দিনে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন।
আমার বার্তা/এমই
