নির্বাসন থেকে সরকারপ্রধান
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:৩০ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

অভ্যুত্থান, সংস্কার ও নির্বাচন দীর্ঘ এক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ৩৫ বছর পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের চালকের আসনে বসতে যাচ্ছেন এক পুরুষ প্রধানমন্ত্রী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে মাধ্যমে ২১২ আসনে জয়লাভ করেছে বিএনপি। দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসন নিশ্চিত করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে শরিকদের নিয়ে সরকার গঠন করেছে দলটি।
বাবা জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি। তার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল রাজনৈতিক দল বিএনপি। সেই দলের হয়ে মা খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯৯১ সালে অর্জন করেছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর খেতাবও।
২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাগারে যেতে হয়েছিল তারেক রহমানকে। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়ার পর চিকিৎসার জন্য তিনি দেশ ছাড়েন। ওই বছর অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে হেরে যায় বিএনপি। এর পরের ১৭ বছর ছিল বিএনপির ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ সময়। নেতাকর্মীরা মার খেয়েছে, ‘গুম হয়েছে; খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেতে হয়েছে। লন্ডনে নির্বাসিত জীবনে থেকে সেসব মোকাবিলা করতে হয়েছে তারেক রহমানকে। তবে প্রবাসে থেকেও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্বে দেন তিনি।
২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে বিদায় হয় শেখ হাসিনা সরকারের। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ড.মুহাম্মদ ইউনূস। নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানেরও দেড় বছর পর গত ডিসেম্বরে দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষ করে বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখেন তারেক রহমান।
দেশে ফেরার দুই মাসের মধ্যেই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের রায়ে এবার প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান।
আমার বার্তা/এমই
