বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো নিয়ে বিরোধীদল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

রোববার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

সংসদে বিল পাসের মাধ্যমে বাতিল হওয়া অধ্যাদেশগুলো পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বিরোধীদলীয় নেতারা এসব অধ্যাদেশের বিষয়ে ‘বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি অধ্যাদেশ এরই মধ্যে কার্যকারিতা হারিয়েছে। বিশেষ করে বিচারবিভাগের স্বাধীনতা, মানবাধিকার ও দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারের মতো উদ্যোগগুলোর আর কোনো বৈধতা থাকছে না।

রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, রহিত হওয়া সাতটি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। আমরা সংশোধনের মাধ্যমে অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, স্বতন্ত্র সচিবালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, মানবাধিকার কমিশনসহ ৭টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল করতে সম্প্রতি জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। এসব অধ্যাদেশ রহিতকরণের ফলে বিচার বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে বিরোধীদলগুলো। 

সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী বলেন, যারা (বিরোধীদলীয় নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে) বলছেন আমরা এগুলো (অধ্যাদেশগুলো) করিনি, বাদ দিয়েছি, তারা মূলত এটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন।

১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৭টি অধ্যাদেশ চারটি বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে। বাকি ১৩টি অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়েছে। গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার পর সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে সংসদে সেগুলো অনুমোদিত না হওয়ায় এসব অধ্যাদেশের আর কোনো কার্যকারিতা থাকছে না।


আমার বার্তা/এমই