জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬, ১৪:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে জানা গেছে, ঢাকার একটি হাসপাতাল থেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত অনেকের মরদেহ পাশের একটি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কর্তৃপক্ষসহ জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর রায়েরবাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান–সংলগ্ন জুলাই শহীদদের গণকবর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর।

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, রায়েরবাজারের ওই গণকবরে ১১৪টি মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এর মধ্যে আটজন জুলাই শহীদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ঢাকার কাছের একটি নদীতে একটি হাসপাতাল থেকে অনেক মরদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ওই হাসপাতালের তৎকালীন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্ত শেষে তাঁদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে যেসব মরদেহের তথ্য পাওয়া গেছে, সেগুলোর পরিচয়ও শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁরা এই গণকবর পরিদর্শন করছেন। এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন জুলাই শহীদের মরদেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, রায়েরবাজারের পাশাপাশি জুরাইন, মাতুয়াইল, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের গণকবরও পরিদর্শন করা হবে। ডিএনএ পরীক্ষাসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করা হবে।


আমার বার্তা/এমই