কাশ্মীরে পাকিস্তানি ঘাঁ’টিতে চীনা যু’দ্ধবিমান, ভারতে হা’মলার জন্যই প্রস্তুতি!

বুধবার, জুলাই ১, ২০২০ ৬:৫২ অপরাহ্ণ

ভারত ও চীনের মধ্যে চ’র’ম উত্তে’জনা বিরাজ করছে। লাদাখ সীমান্তে গলওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের সঙ্গে সং’ঘ’র্ষের পর স’ত’র্ক অবস্থানে আছে দুই দেশের সেনারা। মঙ্গলবার পূর্ব লাদাখের চুসুল-মলডো সীমান্তে বৈঠকে বসেছিল দু’দেশ। কিন্তু বৈঠকে সমাধানসূত্র পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।

ভারত প্যাংগং ও গালওয়ান উপত্যকায় দ’খ’ল করা জমি ছাড়তে বললে চীন উল্টো লাদাখ সীমান্তে ভারতীয় সেনা কমানোর চা’প দেয়। এমন এক পরি’স্থিতিতে জানা গেল, পাকিস্তানি ঘাঁ’টিতে যু’দ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চীনা বিমান বাহিনী। নিচ্ছে প্রস্তুতিও।

ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূ’ত্রে জানা যায়, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিবা’দের মধ্যে চীন পাকিস্তানকে ব্যবহার করছে। পাকিস্তানের অধীনে থাকা কাশ্মীরের স্কার্দু বিমান ঘাঁ’টিকে কাজে লাগাচ্ছে। সেখানে চীনের বিমান বাহিনীর মুভমেন্ট দেখতে পেয়েছে ভারতের এজেন্সি। তারা সত’র্ক করে দিয়েছে ভারতকে।

তাদের দেওয়া খবর অনুযায়ী ৪০টিরও বেশি চীনা ফাইটার জেট ‘জে-১০’ স্কার্দুতে দেখা গেছে। এমন অবস্থায় ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো দাবি করছে, চীনা বিমান বাহিনী ভারতে হা’মলার জন্য এই বিমান ঘাঁ’টি ব্যবহার করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ভারতশা’সিত লাদাখের লেহ নামক একটি শহর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাকিস্তানের এই বিমান ঘাঁ’টিটি। যেকোনো চীনা বিমান ঘাঁ’টি থেকে এটা ভারতের অনেক কাছে। এই জন্যে চীন স্কার্দু বিমান ঘাঁ’টি ব্যবহার করে নিজের শ’ক্তি পরীক্ষা চালাতে চায়। যাতে ভারতের একদম কাছ থেকে ভারতের ওপর হা’মলা চালানো যায়। তাই ভারতকে এবার ২টি আলাদা সীমান্তে লড়া’ইয়ের জন্য তৈরি থাকতে হচ্ছে।

দেশটির গণমাধ্যমে আরো বলা হয়, লাদাখের বি’রু’দ্ধে চীনের ব্যবহার করার জন্য তিনটি বিমান ঘাঁ’টি রয়েছে। সেখান থেকে ফাইটার এয়ারক্রাফট ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো হলো কাশগর, হোতান আর নগ্রী গুরগুংসা। এই এয়ারবেসগুলো থেকে তাদের হা’মলা চালানোর ক্ষমতা সীমিত।

কাশগর থেকে লেহর দূরত্ব ৬২৫ কিলোমিটার, খোতান থেকে ৩৯০ কিমি, ও গুরগুংসা থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এগুলো সবই ১১ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় রয়েছে। আর সেখানেই ১০০ কিলোমিটার দূরে স্কার্দু চীনের জন্য সবচেয়ে ভালো অ’প’শন।

ভারতশা’সিত লাদাখের কারগিল নামক শহর থেকে স্কার্দু ৭৫ কিলোমিটার দূরে। এই বিমান ঘাঁ’টির ২টি রানওয়ে আছে। একটি আড়াই কিলোমিটার লম্বা, আর দ্বিতীয়টি সাড়ে তিন কিমি লম্বা। চীনা ফাইটার জেট এই বিমান ঘাঁ’টি থেকে কাজ করে আবার সেখান থেকে ফিরে যেতে পারবে। আর ভারত যদি স্কার্দুতে পাল্টা হা’না দেয় তাহলে পাকিস্তান যু’দ্ধ শুরু করার সহজ বাহানা পেয়ে যাবে। সূত্র: নিউজ এইটিন।