নতুন ভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত গরু , আ’তঙ্কে চাষি-খামারিরা !

বুধবার, জুন ২৪, ২০২০ ৬:৪৯ অপরাহ্ণ

আর এক মাস পরই কো’রবানীর ঈদ ঈদ উল আযহা। এরি মধ্যে বাংলাদেশে গরু খামারীদের জন্য এসেছে ভ’য়াবহ দুঃ’সংবাদ। দিনাজপুরে গরুর ‘লা’ম্পি স্কি’ন’ রো’গ ম’হামারী আ’কারে ছড়িয়ে পড়ায় আ’তঙ্কে রয়েছেন প্রান্তিক চাষিসহ খামারিরা।

আসন্ন কোরবানির ঈদের আগে এ রোগে গরু আ’ক্রান্ত হওয়ায় বেশি দু’শ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। এ রো’গে জেলায় বেসরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মৃ’ত্যু সংখ্যা শতাধিক হলেও সরকারি হিসাবে ১৫-১৬টি গরুর বাছুর মা’রা গেছে বলে জানানো হয়।

এছাড়া দিনাজপুরে ‘লা’ম্পি স্কি’ন’ রো’গে প্রায় তিন হাজার গবাদিপশু আ’ক্রান্ত হয়েছে। জেলার ১০২টি ইউনিয়নের মধ্যে ২২টিকে আ’ক্রান্ত প্র’বণ হিসেবে চি’হ্নিত করে কাজ শুরু করেছে প্রাণিসম্পদ অফিস। প্রায় এক লাখ গ’রুকে প্র’তিষেধক ভ্যা’কসিন দেওয়া হয়েছে।

এ ভ্যা’কসিন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জেলা প্রা’ণিসম্পদ বিভাগ জানায়, রো’গ প্র’তিরোধে জেলায় ১৭ জুন থেকে ২২টি তিন সদস্যের মেডিকেল টিম কাজ শুরু করেছে। টিমের মাধ্যমে বি’নামূল্যে টিকা, ওষুধ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিলি করা হচ্ছে স’চেতনতামূলক লিফলেট।

বর্তমানে জেলায় ১৬ লাখ ৭১ হাজার ২১৪টি গবাদিপশু রয়েছে। ল্যা’ম্পি স্কি’ন রো’গটি বিশেষ করে ম’শার কা’মড়ে ও আ’ক্রান্ত প্রাণি’র লালা থেকে ছড়ায়। এ রো’গে বিদেশি জাতের গরু এবং বাছুর বেশি আ’ক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা থাকে। মশা-মাছির আ’ক্রমণ থেকে রক্ষা ও প’রিচর্যা করলে কিছুটা হলেও এ রোগ প্র’তিরোধ করা স’ম্ভব। খামারি ও চাষিরা জানান, আ’ক্রান্ত গরুর প্রথমে তী’ব্র মাত্রার জ্ব’র আসে। এরপর শ’রীরে গোটা গোটা উঠে ফুলে যায়।

গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পানি নামে। গরু খাওয়া ব’ন্ধ করে দেয়। দিনাজপুর জেলা প্রা’ণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহিনুর আলম বলেন, জেলায় যে কয়েকটি বাছুর এ রো’গে আ’ক্রান্ত হয়ে মা’রা গেছে, তা ভুল চি’কিৎসায় মা’রা গেছে। পল্লী চি’কিৎসকরা না বুঝে উচ্চমাত্রার এ’ন্টিবায়োটিক ও’ষুধ প্রয়োগ করায় বা’ছুরগুলো বাঁচানো যায়নি। তিনি জানান, এ রো’গে ভ’য়ের কিছু নেই। রো’গ নি’য়ন্ত্রণে রয়েছে। নতুন করে আ’ক্রান্তের সংখ্যা একেবারে কম।