সেই রা’তে কো’থায় ছিলেন জানালেন শ্রিপা!

সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২০ ১১:০১ অপরাহ্ণ

সেই রা’তে কো’থায় ছিলেন-কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় গত ৩১ জুলাই পু’লিশের গু’লি’তে নি’হ’ত হ’ন সেনাবাহিনীর অ’বসরপ্রাপ্ত মেজর সি’নহা মো. রাশেদ খান। ওই ঘ’টনায় টে’কনাফ থা’নায় একটি ও রামু থা’নায় পু’লিশ বা’দী হয়ে পৃথক দুটি মা’মলা করে। রামু থা’নার মাম’লায় আ’সামি করা হ’য়েছিল স্ট্যা’মফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শিপ্রা দে’বনাথসহ অন্যদের।

আটকের পর শিপ্রাকেও কক্সবাজার কা’রাগা’রে প্রেরণ করা হয়। গত ৯ আগস্ট রামুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন ম’ঞ্জুর করেন। কারাগার থেকে মু’ক্তি পেয়ে গ’ণমাধ্যমের সা’মনে কথা বলেছিলেন শিপ্রা। পরে ইউটিউব চ্যানেলে সা’বস্ক্রাইবার চেয়ে ভি’ডিও বার্তা দেন। এরপর তুমুল স’মালোচনার মু’খে পড়েন তিনি। সা’মাজিকমাধ্যমে তাকে নিয়ে ব্যা’পক সমা’লোচনা চলছে।

স’মালোচকরা তাকে নিয়ে নানা প্রশ্নও তুলছেন। ঘ’টনার সময় শিপ্রা সি’নহার গা’ড়িতে কেন ছিলেন না এমন প্রশ্নও তোলা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে শিপ্রা বিষয়টি পরি’ষ্কার করেছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ভিডিও বার্তায় সে রা’তে কী ঘটেছিল এবং তিনি কোথায় কীভাবে ছিলেন তার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, ঘট’নার দিন ৩১ জুলাই রাত ১২টার পর প্রায় ১০-১২ জন পু’লিশ আমাদের রি’সোর্টে প্র’বেশ করেন।

কোনো সার্চ ওয়ারেন্ট এবং নারী পু’লিশ ছা’ড়াই তারা এখানে আসেন। আমাকে সময় না দিয়ে আমার অ’নুমতি ছাড়াই তারা আমাদের ক’টেজে ত’ল্লা’শি শুরু করেন। তিনি জানান, আমি বার বার আমার সহকর্মী ও বন্ধু মেজর সি’নহা এবং সিফাতের ব্যাপারে তাদের কাছে জিজ্ঞেস করি। কিন্তু তারা কোনো ধ’রণের তথ্য আমাকে দেয়নি। রাত আনুমানিক আ’ড়াইটার পর কিছু সিভিল

ড্রেসে আসা পু’লিশ অ’ফিসার এলে আমি তাদের প্রশ্ন করি। তখন তারা আমাকে জানায়, ‘ই’য়েস, সি’নহা ই’জ ডে’ড’। তিনি জানান, এরপর ওই রাত সাড়ে চারটার দিকে আমাকে ও আমার আরেক স’হকর্মীকে তাহসিনকে কোনো প্রকার পূর্ব ইঙ্গিত ছাড়াই রামু থা’নায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে পু’লিশ সুপারের কা’র্যালয়ে। পুরোটা সময়ে যতজন অফিসার ও ত’দন্তকা’রী পাশে

পেয়েছি তাদের সবার কাছে আ’কুল আদেবন করেছিলাম আমাকে যা ইচ্ছা করেন। আমি কোথাও পা’লিয়ে যাচ্ছি না। কিন্তু মেজর সি’নহাকে একবার দেখতে দিন। কিন্তু আমার সে আ’কুতিতে তারা বি’ন্দুমাত্র ক’র্ণপা’ত ক’রেননি। তিনি আরও জানান, এরপর রাত ৮-৯টা নাগাদ আমাকে একা একটি পু’লিশ ভ্যা’নে উ’ঠিয়ে আ’না হয়। এরপর আবিষ্কার করি তারা আমাকে কা’রাগা’রে পাঠি’য়েছেন।

এবং আমি সেখানেই প্রথম জানতে পারি, আমি নাকি মা’দ’ক মা’ম’লার আ’সা’মি! গত ৩ জুলাই স্ট্যা’মফো’র্ড ইউ’নিভা’র্সিটির ফি’ল্ম অ্যা’ন্ড মি’ডিয়া বিভাগের তিন শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও তাহসিন ইফাত নূর কক্সবাজারে যান। জা’স্ট গো শি’রোনা’মে মেজর (অব.) সিনহা যে তথ্যচিত্র নি’র্মাণের কাজ করছিলেন, সেখানে কাজ করছিলেন এই তিন শিক্ষার্থী।somoynews

blob:https://web.facebook.com/031b2ea0-cf9b-406f-bd9d-d398989197bd