ই-পেপার বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

ঢাকার বাইরে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের অনুমোদন

আমার বার্তা অনলাইন:
২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫:১৮

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা বিস্তারের লক্ষ্যে সরকার ঢাকার বাইরে আরও সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ। তিনি বলেন, দেশে মাদক ব্যবহার এখন আর কিছু বিচ্ছিন্ন মানুষের সমস্যা নয়, এটি একটি বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী লড়াইকে একটি সামাজিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতে হবে এবং পরিবার থেকেই এর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরণ ও সংশ্লিষ্ট কারণসমূহ’ শীর্ষক জাতীয় গবেষণার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

হাসান মারুফ জানান, বর্তমান সময় ও বাস্তবতা হলো দেশের মানুষ ক্রমেই মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এটি ভাবার সুযোগ নেই যে, মাদক সমস্যা কেবল কিছু নির্দিষ্ট মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তিনি বলেন, সামাজিক অবক্ষয়, মানসিক চাপ ও ভুল সঙ্গের কারণে কিশোর ও তরুণরা খুব সহজেই মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এই বাস্তবতা অস্বীকার করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে।

ডিএনসি মহাপরিচালক বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন—সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবার থেকেই যদি প্রতিরোধ শুরু না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ একা কার্যকর হবে না।

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মো. হাসান মারুফ জানান, এই সংকট মোকাবিলায় ঢাকার বাইরে আরও সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কেন্দ্রগুলো চালু হলে বিভাগীয় পর্যায়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার সুযোগ বাড়বে এবং মাদকাসক্তদের সমাজে পুনঃঅন্তর্ভুক্তির পথ সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক কমিটমেন্ট এবং আরও গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, কিছুসংখ্যক খারাপ মানুষই শুধু মাদকাসক্ত এবং আমরা বা আমাদের সন্তানেরা নিরাপদ। প্রকৃতপক্ষে আমরা সবাই এবং আমাদের সন্তানরাও মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার তার বক্তব্যে বলেন, মাদক সমস্যার সমাধানে শুধু সরবরাহ বন্ধ করলেই হবে না, একই সঙ্গে চাহিদাও কমাতে হবে। বিশেষ করে শিশুরা ও তরুণরা জীবনকে ঠিকভাবে বুঝে ওঠার আগেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, এই শিশু ও তরুণ সমাজকে মাদক সেবনের ভয়াবহ ক্ষতি থেকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রকাশিত গবেষণার ফলে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে আনুমানিক ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের অবৈধ মাদক ব্যবহার করছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

গবেষণায় উঠে আসে, মাদক ব্যবহার এখন শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃঅন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব না দিলে এই সংকট আরও গভীর হবে।

গবেষকেরা মনে করছেন, গবেষণার এই ফল এবং প্রস্তাবিত পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক মাদক নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণে সহায়ক হবে।

আমার বার্তা/এমই

হামের প্রাদুর্ভাব: উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, মোট মৃত্যু ৬৮৬

দেশে হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজন মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে নিশ্চিত হাম

মৃত্যুর ৭১ শতাংশের কারণ অসংক্রামক রোগ, মাঠে নামছে ৩৫ মন্ত্রণালয়

দেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশের বেশি ঘটছে অসংক্রামক রোগের কারণে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে হারবাল-হোমিওপ্যাথিক

২২ সদস্যবিশিষ্ট ‘জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করেছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুবনেতা সাজ্জাদুল মিরাজের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে আর্জেন্টিনা জয়ে উৎসব

হামের প্রাদুর্ভাব: উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৩ জনের, মোট মৃত্যু ৬৮৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনার সফলতা কামনা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

৫৮ দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি বাংলাদেশের, শীর্ষে চীন ও ভারত

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইল প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান

ইনফান্তিনো বিশ্বকাপ বিক্রি করে দিয়েছেন: লাম

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে সরকার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সিইও’র সাক্ষাৎ

প্রবাসীদের জন্য ‘টাকা হিসাব’ চালু, টাকা ফেরত নিতে পারবে বিদেশেও

প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হতে রাতে চীন যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী স্বপন ও এ্যানি

চোখ বন্ধ করে থাকছেন রেফারি: মেসিকে সুবিধা দিচ্ছে ফিফা!

পর্তুগালের ভাষা, সংস্কৃতিতে যেভাবে আজও টিকে আছে মুসলিম শাসনের চিহ্ন

শেখ হাসিনা ফিরলে প্রোফাইল লাল করাদের জীবন কালো করে ছাড়বে

জাহাজভাঙা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির চূড়ান্ত গ্যাজেট প্রকাশের দাবি

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ উচ্চপর্যায়ের ‘টাস্কফোর্স’ গঠন

অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো রাষ্ট্রীয় কাজ নেই: মন্ত্রীদের উদ্দেশে স্পিকার

রেকর্ড ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেল বাংলাদেশ, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ