
ফজরের নামাজ আদায় করেই সপরিবারে রাজধানীর ধানমন্ডি সরকারি বয়েজ হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউসুফ। ভোট দেওয়ার পর ‘হানাহানিমুক্ত বাংলাদেশ’র প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ওই কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বের হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউসুফ বলেন, দীর্ঘদিন পর শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়ে ভালো লাগলো।
তিনি বলেন, ভালো লাগছে ভোট দিয়ে। সহধর্মিণী, ছেলে এবং ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে এসেছি এই উৎসবে যোগ দিতে। আমরা একটি হানিহানিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যেখানে কোনো মারামারি, কাটাকাটি কিংবা বিবাদ থাকবে না।
‘পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানিসহ নাগরিকদের অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করা হবে—এমন একটি সরকার ক্ষমতায় আসুক সেটা চাই’—যোগ করেন একাত্তরের রণাঙ্গনের এ বীর মুক্তিযোদ্ধা।
পাশেই দাঁড়ানো মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফের ছেলে ডা. ইমরান উদ্দিন জানান, বাবা-মা ও স্ত্রীকে নিয়ে এসে ভোট দিলাম। ভালো লাগছে।
ভোট দেওয়ার পর হাফিজুল ইসলাম নামের একজন জাগো নিউজকে বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায়ের পর এমন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আমরা চেয়েছিলাম। ভোট দিয়ে ভালো লাগছে।
ঢাকা-১০ আসনের আওতাভুক্ত এই কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে ধানমন্ডি সরকারি বয়েজ হাইস্কুলে ভোটার উপস্থিতি অন্যান্য কেন্দ্রের চেয়ে কম। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে।
ঢাকা-১০ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির শেখ রবিউল আলম, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির বহ্নি বেপারী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. জসীম উদ্দীন সরকার, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুল আউয়াল, হাতি প্রতীকে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. আবু হানিফ হৃদয়।
এছাড়াও বাংলাদেশ লেবার পার্টির পক্ষে আনারস প্রতীকে আবুল কালাম আজাদ, এবি পার্টির পক্ষে ঈগল প্রতীকে নাসরীন সুলতানা, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের পক্ষে ছড়ি প্রতীকে মো. আনিছুর রহমান, আমজনতার দলের পক্ষে প্রজাপতি প্রতীকে আব্দুল্লাহ আল হুসাইন এবং জনতার দলের কলম প্রতীকে মো. জাকির হোসেন।
আমার বার্তা /জেএইচ

