ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩৩

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বড় চ্যালেঞ্জ হবে আর্থিক সীমাবদ্ধতা

আমার বার্তা অনলাইন:
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪:২৬

নতুন সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসাবে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ আর্থিক সীমাবদ্ধতা হিসাবে দেখছে নাগরিক প্লাটফর্ম। একই সঙ্গে কার্ড নির্বাচনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সেন্টার ফর পিলিসি ডায়লগের (সিপিডি) উদ্যোগে এবং এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সিডিপির অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন কালে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এসময় সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মূল প্রবন্ধে নতুন সরকারের ১০টি চ্যালেঞ্জের কথা বলা হয়েছে। যার মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে চ্যালেঞ্জের কথা বলা হয়েছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, গ্রামীণ পাঁচ মিলিয়ন পরিবারকে মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পাঁচ মিলিয়ন পরিবারকে এ সহায়তার আওতায় আনতে বছরে আনুমানিক ৯ হাজার ৬০০ কোটি থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে, যা জিডিপির প্রায় ০.১৫ থেকে ০.২০ শতাংশের সমান। এই কর্মসূচি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ উদ্যোগ ভবিষ্যতে সর্বজনীন মৌলিক আয় বাস্তবায়নের একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি করতে পারে। তবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হবে আর্থিক সীমাবদ্ধতা। এর পাশাপাশি উপকারভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রচলিত প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক পদ্ধতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ পদ্ধতি অনুসরণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু আন্তর্জাতিক সূচক রয়েছে, সেটা অনুসরণ করে এবং রাজনৈতিক চাপ উপেক্ষা করে যদি দেওয়া হয় তাহলে প্রকৃত বঞ্চিতরা সুবিধাভোগী হবে এবং নির্বাচনী ইশতিহার বাস্তবায়ন হবে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার পর ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। কারণ হিসাবে তিনি বলছেন, নির্বাচনের আগে দিলে একদিকে কার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে দুর্নীতির আশঙ্কা বেশি থাকবে, অন্যদিকে কার্ড নির্ধারণের জন্য প্রকৃত ডাটার ঘাটতি থাকতে পারে। সেজন্য একটু সময় দিয়ে দিলে প্রকৃতভাবে যারা পাওয়ার যোগ্য তারা পাবেন।

অন্যদিকে ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের জিডিপি এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ প্রসঙ্গে প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরে জিডিপির আকার ছিল ৪৬২ বিলিয়ন ডলার। এই অবস্থান থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে হলে ডলার ভিত্তিতে গড়ে প্রায় ৯ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী হলেও এটি নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান উদ্যোগের তুলনায় বেশি আগ্রাসী।

অন্যদিকে রাজস্ব আহরণ বাড়ানোও এই লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম শর্ত। ২০২৫ অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৬ সালের জন্য ৮ দশমিক ৩ শতাংশ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জন করা কঠিন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্রগতি ধরলেও প্রতি বছর প্রায় ০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট করে উন্নতি প্রয়োজন, যাতে ২০৩১ সালে কর-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১১ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে সংস্কারভিত্তিক পদক্ষেপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে স্বল্পমেয়াদে জিডিপির অতিরিক্ত ২ শতাংশ সমপরিমাণ রাজস্ব অর্জন সম্ভব, যা ২০৩১ সালে কর-জিডিপি অনুপাতকে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশে উন্নীত করতে সহায়ক হতে পারে। সামগ্রিকভাবে আগামী পাঁচ বছরে বছরে গড়ে প্রায় ১ দশমিক ২৫ শতাংশ পয়েন্ট হারে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর প্রয়োজন হবে।

এ বিষয়ে সিপিডির তৌফিক ইসলাম বলেন, বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে এবং একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চাইলে, এমন উচ্চ রাজস্ব প্রবৃদ্ধিও যথেষ্ট নাও হতে পারে। ফলে লক্ষ্য অর্জন অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, কার্যকর সংস্কার ও শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপরই নির্ভর করতে হবে।

আমার বার্তা/এমই

জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের মনে রাখতে

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে যে আশ্বাস দিলেন বিলাল এরদোয়ান

রোহিঙ্গাদের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে আন্তর্জাতিকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্টের

জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশকে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘পুলিশসহ অন্যান্য শৃঙ্খলাবাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে দ্রুত জনপ্রত্যাশা

বিজয়ী ২৯৭ এমপির মধ্যে ২৭১ জন কোটিপতি: সুজন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৭১ জনের সম্পদ কোটি টাকার
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সংস্কার-নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে: নাহিদ

চিকিৎসকদের সেবা সরেজমিন তদারকি করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জনগণের ট্যাক্সে চলি, তাই জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নৈতিক দায়িত্ব

স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর

দেশে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ছাতক

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে যে আশ্বাস দিলেন বিলাল এরদোয়ান

জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশকে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রাজউকের উপপরিচালক লিটন সরকারের অদৃশ্য সাম্রাজ্য

বিজয়ী ২৯৭ এমপির মধ্যে ২৭১ জন কোটিপতি: সুজন

পরীক্ষা-মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় সংস্কার আসছে, ঈদের পর রোডম্যাপ

ভিসা জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বড় চ্যালেঞ্জ হবে আর্থিক সীমাবদ্ধতা

ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করবে সরকার, হবে সর্বজনীন

ডোপ টেস্ট ‘পজিটিভ’ হলে হবে না সরকারি চাকরি, বিধিমালা জারি

সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতি কোনোভাবেই কাম্য নয়: তথ্যমন্ত্রী স্বপন

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে কমিটি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বাবার তিন দশক পর একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মেয়ে পুতুল

শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করবে না এই সরকার: ববি হাজ্জাজ