
২০২১ সালে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং সশস্ত্র বিদ্রোহী গুষ্ঠিগুলো একত্রে সেনাবাহিনীর উপর আক্রমণ চালিয়ে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে সেনাবাহিনীকে হটিয়ে দিয়ে তাঁদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। গৃহযুদ্ধ চলমান অবস্থায় ২০২৫-২৬ সালে মিয়ানমারে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ও ২০২৬ সালে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। বিদ্রোহী গুষ্ঠিগুলো ও মিয়ানমারের বড় রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল ইউনিটি গভার্নমেন্ট এই নির্বাচণের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গ্রহনযোগ্যতা বাড়াতে এবং একই সাথে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়। সরকার প্রথমে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার জন্য সশস্ত্র বিরোধী দলগুলোকে যুদ্ধ বিরতির জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে, যদি ও তারা এই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সাথে চীনের সহায়তায় চীনের সহায়তায় চীন ও থাইল্যান্ড সীমান্ত অঞ্চলে সংঘর্ষরত দুটি সশস্ত্র বড় দল এম এন ডি এ এ এবং টি এন এল এ’কে যুদ্ধ বিরতিতে বাধ্য করেছে। এই যুদ্ধ বিরতির সুবাদে মিয়ানমার সরকার চীন ও থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী এলাকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ ও সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু করে এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক জেড ও রেয়ার আর্থ খনির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার জাতিগত বিদ্রোহী সশস্ত্র দলগুলোর সাথে যুদ্ধ বিরতির চেষ্টা চলমান রাখার পাশাপাশি ড্রোন ও বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে ও সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে সংঘাত দমন ও সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিচ্ছে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী বহু বছর ধরে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভুমিকা রেখে অভিজ্ঞ এবং এই অভিজ্ঞতা তাঁদের শাসনকে সুসংহত ও স্থায়িত্ব নিশ্চিতে ব্যবহার করে। নব নির্বাচিত সরকারের সদস্যদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট সহ অনেকেই সেনাবাহিনীর প্রাক্তন কর্মকর্তা। বর্তমানে মিয়ানমার সরকার দীর্ঘ দিন ধরে গৃহযুদ্ধের ধকলে মনোবল কমে আসা সেনাবাহিনীকে নতুন করে উজ্জীবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে, নতুন করে সৈন্য সংগ্রহে ভামার সম্প্রদায়ের তরুণদের উৎসাহী করছে।
মিয়ানমার সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কূটনীতি, অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি বিষয়গুলো সফলতার সাথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। নিজেদের সামরিক ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধিতে রাশিয়া ও চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করছে। যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়াতে কাজ করছে, ভারত, চীন ও থাইল্যান্ডের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের লক্ষে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারত ও চীন সফর করে তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করার ব্যবস্থা নিয়েছে। মিয়ানমারের স্থিতিশীলতা এশিয়ার এই অঞ্চলের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক। চলমান সংঘাত থাকায় পরও নির্বাচিত সরকারের নেয়া কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। কূটনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সেক্টরের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে এসব উদ্যোগ প্রশংসার দাবী রাখে। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক ভাবে বিদ্রোহ মোকাবেলা করা গেলে আশা করা যায় যে মিয়ানমারে শান্তি ফিরে আসবে। মিয়ানমারের ভূকৌশলগত অবস্থানের কারনে দেশটির উপর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরাশক্তির দৃষ্টি রয়েছে এবং মিয়ানমার সরকার সফলতার সাথে পরাশক্তিগুলোর মাঝে দ্বন্দ্ব এড়িয়ে নিজের দেশের লাভ নিশ্চিত করে চলছে।
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথমেই ভারত সফর করেছে। ভারত একটা গণতান্ত্রিক দেশ এবং ভারতের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মধ্যে দিয়ে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁদের ভাবমূর্তি উন্নয়নের চেষ্টা করছে। বাণিজ্য, সীমান্ত নিরাপত্তা, উন্নয়নমূলক সহায়তা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা— এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই ভারতের সাথে মিয়ানমারের সফররত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকে মূলত প্রাধান্য পেয়েছে। ভারতের মণিপুর ও মিজোরাম রাজ্যের সহিংসতা ও মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধের কারনে ভারত দুই দেশের মধ্যেকার অবাধ চলাচল ব্যবস্থা (এফএমআর) স্থগিত করে এবং মিয়ানমারের সাথে ১৬৪৩ কিলোমিটার সীমান্ত জুড়ে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে। মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি ভারত পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। বৈঠকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ভারতকে দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত করেছে যে, ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কাজে মিয়ানমারের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এই লক্ষ্যে কালাদান মাল্টি-মোডাল ট্রানজিট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট এবং ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ে’র কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উভয় দেশ একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।
মিয়ানমার তার নিকট প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ চীন ও থাইল্যান্ডের সাথে তাঁদের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশগুলোর সাথে মিয়ানমারের মিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য স্বার্থ রয়েছে। চীনের সাথে মুসে মান্দালে বাণিজ্য পথে বাণিজ্য চলছে, থাইল্যান্ডের সাথে মে সট - মিওয়াদি – ইয়াঙ্গুন ও সিলাওয়া বন্দর পর্যন্ত বাণিজ্য পথ খোলা রয়েছে। এর পর তারা ভারতের সাথে বাণিজ্য পথ খোলার জন্য চিন রাজ্যের দিকে তাঁদের দৃষ্টি দিয়েছে।
চীন মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য পার্টনার। চীনের সাথে মিয়ানমারের ১৯.৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য এবং ২১২৯ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। চীনের কুনমিং থেকে মিয়ানমারের চকপিউ বন্দর পর্যন্ত ৭৭১ কিলোমিটার তেল ও গ্যাস পাইপ লাইনের কার্যক্রম চলছে। চীন আন্তর্জাতিক ফোরামে মিয়ানমারের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে। উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি, সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বাণিজ্য ও ব্যবসা সহজতর করা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতিকে সমর্থন এবং টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে চীন সহায়তা করবে। মিন অং হ্লাইংয়ের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। চীন দুই দেশের জনগণের মধ্যে ‘ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধুত্ব’ বজায় রাখতে এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করতে আগ্রহী। চীন মিয়ানমারের সব পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ও পুনর্মিলন এবং উত্তর মিয়ানমারে স্থায়ী স্থিতিশীলতা অর্জনে সমর্থন করে। শি জিনপিং সাইবার অপরাধ এবং মাদক পাচারের বিরুদ্ধে দুই দেশকে ‘কঠোর ব্যবস্থা’ নেয়ার আহ্বান জানায়। দুই নেতার উপস্থিতিতে ১৮টি সহযোগিতা চুক্তি সই হয়। এর মধ্যে মেকং উপ-অঞ্চলে আন্তঃসীমান্ত পরিবহন, মুক্ত বাণিজ্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম খাত উল্লেখযোগ্য।
থাইল্যান্ড মিয়ানমারে চলমান সংঘাত নিরসন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আসিয়ানের সাথে মিয়ানমারের সম্পর্ক পুনঃস্থাপন, থাই-মিয়ানমার সীমান্তে সহিংসতা কমানোর উপায় নিয়েও আলোচনা করেছে। থাইল্যান্ড সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধী চক্র এবং থাইল্যান্ডে ক্রমবর্ধমান মাদক প্রবাহ দমনে মিয়ানমারের সহযোগিতা চায়। তাঁরা উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত বাণিজ্য চালু করার বিষয়েও আলোচনা করে। থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের মধ্যে মোট বাণিজ্যের ৮০ শতাংশই এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান-এর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। ব্যাংককে অনানুষ্ঠানিক পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং থাইল্যান্ডের মতো আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। আসিয়ানের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট লাওস সফর করেছে এবং নতুন করে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চেষ্টা করছে। লাওস ও মিয়ানমারের নেতারা তাদের দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করতে এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার করেছে। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব ও প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, পররাষ্ট্র, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিবহন, জ্বালানি, শ্রম, শিক্ষা এবং অন্যান্য খাতে সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে অবদান রাখবে।
মিয়ানমার তার প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে যোগাযোগ চালিয়ে গেলেও বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে এখনও কিছু দৃশ্যমান হয়নি। প্রায় দশ বছর ধরে চলা রোহিঙ্গা সংকট এখন পর্যন্ত সমাধানের মুখ দেখছে না। আরাকান আর্মি বাংলাদেশ - মিয়ানমার সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করছে, এর কারনে মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত বাণিজ্য এবং আনুষ্ঠানিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা থাকা স্বত্বেও বন্ধ রয়েছে। আরাকান আর্মির সাথে এই সংকট মোকাবেলায় কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া যায়নি। বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর চীন সফরের সময় চীন, মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার একটি নতুন কোরিডোর নিয়ে আলোচনা হয়। এই অঞ্চলের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এই করিডোর ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে এবং যাতায়াত, বাণিজ্য, পর্যটন ও অন্যান্য পরিসেবাগুলো মিয়ানমার ও বাংলাদেশের জন্য সহজ লভ্য হবে। এই যোগাযোগ স্থাপিত হলে মিয়ানমারের সাথে বহু বছর ধরে অবহেলিত পিপল টু পিপল কন্টাক্ট প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মিয়ানমারের অনুন্নত রাখাইন ও চিন রাজ্যের জনগণ উন্নয়নের ছোয়া পাবে বলে আশা করা যায়। । দ্রুততম সময়ে পণ্য আসিয়ান দেশগুলোতে পাঠানো গেলে পরিবহন ব্যয় কমে যাবে ও অধিক মুনাফা হবে। পুরো অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে এই করিডোর বিশেষ অবদান রাখবে।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফির আসার সম্ভাবনা কম। রাখাইনে ভারত এবং চীনের বাণিজ্য ও কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে। রাখাইনের উন্নয়ন ও রাজনৈতিক সমঝোতা চলমান সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক তাদেরকে সেখানে ফিরে যেতে হবে। বাংলাদেশকে এই সংকটকে অগ্রাধিকার দিয়ে সংকট মোকাবেলায় কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে গেলে সমাধান সম্ভব। এর জন্য প্রস্তুতি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি, জাতীয় ঐক্য ও দূরদর্শী নেতৃত্ব দরকার। বাংলাদেশকে মিয়ানমার সরকারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি আরাকান আর্মি, রাখাইনের রাজনৈতিক দল ও জনগণের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার উদ্যোগ নিতে হবে। অনুন্নত রাখাইন রাজ্যের সার্বিক সহায়তার বিষয়ে বাংলাদেশের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত বাণিজ্য এবং আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চালু করতে দু’দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের মাঝে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করে বাণিজ্য সহজ করা যেতে পারে। সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক, মানব পাচার, অস্ত্র চোরাচালান বন্ধে আলোচনা ও কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। দৃঢ় এবং প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের দিকনির্দেশনায় সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে বাংলাদেশ মিয়ানমার সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান সম্ভব।
লেখক: মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক।
আমার বার্তা/ব্রি. জে. (অব.) হাসান মো. শামসুদ্দীন/এমই

