জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য না হওয়া বিষয়গুলোর ভাগ্য পরবর্তী সংসদে নির্ধারণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং লন্ডনে থাকা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অংশ নেবেন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইস্যুতে গণমাধ্যমে দেওয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
সংসদ ছাড়া সংবিধান সংশোধন করা যাবে না বলে উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ীই সবকিছু হবে। প্রয়োজনে সংবিধানের ভুলত্রুটি সংশোধন হতে পারে।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, নতুন সংবিধান আমরা গ্রহণ করবো না। কারণ বর্তমান সংবিধানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম জড়িয়ে রয়েছে। সংবিধানের ভুলত্রুটি সংশোধন করা যাবে। অনেকে নতুন সংবিধান লেখার দাবি তুলছেন। কিন্তু তারা এটি কেন করছে আমি বুঝি না।
আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপির বক্তব্যকে ঘিরে নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখছেন কিনা জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, সঠিক সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। দলগুলো বিভিন্ন কথা বললেও নির্বাচন বিলম্বিত হলে গণতান্ত্রিক উত্তরণ দেরি হবে এটা সবাই উপলব্ধি করে।
সংস্কার কার্যক্রমকে বিএনপির সন্তানের সঙ্গে তুলনা করে দলটির মহাসচিব আরও বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আওয়ামী লীগ সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের সবচেয়ে বড় শিকার বিএনপি। তাই সংস্কার ও গণহত্যার বিচার নিয়ে আমাদের আপস করার সুযোগ নেই।
মির্জা ফখরুল বলেন, সংস্কারের নিশ্চয়তা দিতে আমরা একমত হয়েছি। এটাকে ইস্যু করা উচিত নয়। ঐকমত্য হওয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলো এখনই বাস্তবায়ন হোক। আর একমত না হওয়া বিষয়গুলো সংসদের হাতে দেওয়া হোক।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।
আমার বার্তা/এমই