
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর তিন সপ্তাহও বাকি নেই। আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে বড় ধাক্কা লাগল। বিশ্বকাপের আগে মেজর লিগ সকারের শেষ ম্যাচ খেলতে গিয়ে চোটে পড়েছেন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে বাম ঊরুর অস্বস্তিবোধ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার এই চোট কতটা গুরুতর, তা জানার আগ্রহ তুঙ্গে। এই প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে কথা বললেন মায়ামি কোচ গুইলেরমো হোয়োস।
দারুণ দুটি অ্যাসিস্টে দলের জয়ে অবদান রাখেন মেসি। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ৬-৪ গোলে ম্যাচটি জেতে মায়ামি। কিন্তু এই জয় ম্লান হয়ে গেছে মেসির পেশির ইনজুরিতে। নু স্টেডিয়ামে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেসি। বাঁ ঊরুর অস্বস্তিবোধ নিয়ে সোজা লকারু রুমে চলে যান তিনি।
৭০তম মিনিটে ফ্রি কিক নেওয়ার পর মায়ামি অধিনায়ককে বাঁ ঊরুর উপরের অংশে হাত দিতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি খেলোয়াড় পরিবর্তনের অনুরোধ করেন এবং মাতেও সিলভেত্তির বদলি হন।
অবশ্য কারো সহায়তা ছাড়াই মাঠ ছাড়েন মেসি। নিজেই চলে যান লকার রুমে। ম্যাচের পর হোয়োস বলেন, মেসির যে চোটে পড়েছেন, সেটা এখনই বলা যাবে না। মাঠের অবস্থার কারণে পূর্বসতর্কতা হিসেবে আর্জেন্টাইনকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে।
মেসির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে মায়ামি কোচ বললেন, ‘আমি যতদূর জানি, আমরা এখনও (মেডিক্যাল) রিপোর্ট পাইনি। কিন্তু আমরা শিগগিরই পেয়ে যাব। আসলে সে ক্লান্তিতে ভুগছে, এটা অবশ্যই ক্লান্তি। সে ক্লান্ত ছিল। মাঠ ছিল ভারী এবং সন্দেহ যখন ওঠে, তখন কোনো ঝুঁকি না নেওয়াই সাধারণ পন্থা।’
২০২৩ সালে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মেসি ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টে বেশ সতর্ক। ব্যস্ত সূচির কারণে মাঝেমধ্যেই তাকে ছাড়া খেলতে নেমেছে দল। গত কয়েক বছরে হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যার কারণে কয়েকবার সাইডলাইনে ছিলেন। এই বছরের শুরুতে মায়ামির প্রাক মৌসুমে বেশিরভাগ ম্যাচ খেলেননি। সবশেষ পাওয়া চোট গুরুতর হলে আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার মিশন বেশ বড় ধাক্কা খাবে। ১১ জুন শুরু হবে বিশ্বকাপ, পাঁচ দিন পর কানসাস সিটিতে আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
এখনও মেসি বিশ্বকাপে খেলার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি। তবে তাকে রেখেই যে দল ঘোষণা হবে, সেটা জানিয়েছেন সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা।

