
এক ব্যস্ত হোম সিজনের দিকে তাকিয়ে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড় এইডেন মারক্রাম। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের ম্যাচ রয়েছে। তুলনামূলকভাবে দুটি ম্যাচই হবে উত্তেজনায় ঠাসা। তবে ঘরের মাঠে ব্যস্ততম ক্রিকেট মৌসুমে আরেকটি সিরিজে তাদের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ, এই দলকে বিন্দুমাত্র হেলাফেলা করা যাবে না বলে দলকে সতর্ক করলেন তিনি।
সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়া মারক্রাম বলেন, ‘অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা আছে, কিন্তু বাংলাদেশের দলটির দিকে তাকান। তারা ক্ষুধার্ত বাঘ। তারা পেস আক্রমণে যে উন্নতি করেছে, তাতে তাদেরকে কোনোভাবেই সহজ প্রতিপক্ষ বলা যাবে না।’
মারক্রামের এই সতর্ক বার্তা বেশ যুক্তিযুক্ত। কারণ বাংলাদেশে তৈরি হওয়া চমৎকার ফাস্ট বোলিংয়ের ওপর ভর করে দলটি সম্প্রতি সাফল্যের মুখ দেখেছে। বিশেষ করে ২৩ বছর বয়সী পেসার নাহিদ রানা এই আক্রমণভাগকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ১৪৫ কিমি/ঘণ্টারও বেশি গতিতে বল করে ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছেন তিনি।
মারক্রাম ইংল্যান্ডে ‘দ্য হান্ড্রেড’ ক্রিকেটে অংশ নিতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার আটজন পুরুষ ক্রিকেটারের একজন। তবে ঘরের মাঠে টেস্ট ক্রিকেট না থাকার খরা কাটিয়ে আসন্ন টেস্ট মৌসুম নিয়ে তিনি বেশ রোমাঞ্চিত।
তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পর থেকে নিজেদের ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে টেস্ট না খেলতে পারাটা আফসোসের ছিল। আবার সমর্থকদের সামনে টেস্ট ক্রিকেট খেলাটা দারুণ হবে। আর শুধু টেস্ট খেলাই নয়, বেশ শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধেই আমরা মাঠে নামব।’
ঘরের মাঠে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ছাড়াও সামনে ২০২৭ সালের ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি রয়েছে। ক্রিকেটার হিসেবে উত্তেজনা কাজ করছে মারক্রামের মনে।
মারক্রাম বোর্ডের প্রধান পুরষ্কার জিতলেও নিজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলেন না। তবে নতুন বাবা হওয়া এই ক্রিকেটারের এখন প্রধান লক্ষ্য আগামী ১৮ মাসে প্রোটিয়াদের হয়ে আরও সাফল্য ও ইতিহাস রচনা করা।

