
রাজধানীর বাড্ডা এলাকার একটি বাসা থেকে মুনিরা মাহজাবিন মিমো নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আজ রোববার দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা এবং বাড্ডা থানা-পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জানা যায়, মিমো বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।
তিনি বাড্ডায় বাবা-মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া।’ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক সুদীপ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে গুলশান জোনের (বাড্ডা) এডিসি জুয়েল জানান, ‘শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের একজন শিক্ষককে আপাতত হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে শিক্ষার্থীর ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।
আমার বার্তা/এমই

