ই-পেপার মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩৩

অগোছালো শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি

আলিমা আফরোজ লিমা
১৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:৫৫
আপডেট  : ১৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:১৪

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। একটি জাতিকে ধ্বংস করার জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রকে ধ্বংস করা যথেষ্ট।সুষ্ঠু এবং সাবলীল শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম অন্তরায় জাল সনদ।জাল সনদের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আড়ালে বৈধ সনদধারী আজ শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকের অবস্হান হারাতে বসেছে।

এরূপ শিক্ষা ব্যবস্হায় প্রকৃত শিক্ষা এবং জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়।এজন্য নতুন রাষ্ট্র গড়ার প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ।জাল সনদের অন্তরালে প্রকৃত সনদধারীরা যেন হারিয়ে না যায় সেটা নিশ্চিত করা। একমাত্র বৈধ সনদধারীদের যোগ্য সম্মান এবং শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের ব্যাবস্থা করে দেওয়ার মাধ্যমেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলুষমুক্ত করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে সৎ উদ্দেশ্য এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা একান্ত কাম্য। বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে যে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং ঘুষ বাণিজ্য চলেছে তা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখ জনক।এই কলুষিত শিক্ষা এবং নিয়োগ ব্যবস্থাকে অচিরেই কলুষমুক্ত করে জাতিকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ বতর্মান বৈষম্য বিরোধী সরকারকেই করে দিতে হবে। তা না হলে ভূত সর্ষের ভিতরেই থেকে যাবে।

আজকে বৈধ সনদধারী শিক্ষকেরা রাস্তায় অধিকারের আন্দোলন করে আর অবৈধ সনদধারী শিক্ষক হিসেবে দেদারসে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ কেমন শিক্ষা ব্যবস্থা? এই হেন অবস্থা থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রকে মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।পত্র পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় নানা রকম জাল সনদের তথ্যাদি একে একে বের হয়ে আসছে।

অর্থের বিনিময়ে সনদ বিক্রি, একই রোল নম্বর ব্যবহার করে একাধিক ব্যাক্তিকে নিয়োগ। এছাড়া নিয়োগ বাণিজ্যে মেতে উঠা ফ্যাসিষ্ট সরকারের অগোছালো শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরী। শিক্ষা ক্ষেত্র থেকে বৈষম্য দূর মানে জাতিকে কলুষিত অধ্যায় থেকে মুক্ত করা। এক্ষেত্রে সরকারের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক : শিক্ষক ও অনলাইন নিউজ এডিটর, দৈনিক আমার বার্তা।

আমার বার্তা/আলিমা আফরোজ লিমা/এল/এমই

ঈদ সামনে, তবু দরিদ্র মানুষের কষ্টের গল্প

ঈদ মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। ঈদ মানেই হলো আনন্দ। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার

জলবায়ু ঝুঁকি: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা থেকে অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় রূপান্তর এখন অপরিহার্য

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই হচ্ছে, কিন্তু আমাদের নীতিনির্ধারণে এখনো একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা

মরক্কোর আমাজিঘ নারী: প্রাচীন হস্তশিল্পের মানব জাদুঘর ও ঐতিহ্যের ধারক

মরক্কোর গ্রাম, পাহাড়ি জনপদ, মরুভূমি অঞ্চল ও এর আশেপাশে আমাজিঘ সম্প্রদায়ের নারীরা বসবাস করেন। তারা

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: ইতিহাস ও ভূগোলের কঠিন বাস্তবতা

আমেরিকা ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে আক্রমণ করেছে। এই আক্রমণের ফলে কি ইরান পরাজিত হবে? স্পষ্ট
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতিক : নাজিমুদ্দিন আলম

ঢাকায় ক্রিমিয়া-রাশিয়া পুনর্মিলনের ১১তম বার্ষিকী পালন

শহীদ মিনারে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিব হত্যা: নেপথ্যে নারী ও মাদক দ্বন্দ্ব

একাডেমিক পারফরম্যান্স দেখেই নতুন উপাচার্য নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী

স্কোরবোর্ডের দাম ৫ কোটি টাকা হতে পারে না: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নগর সেবা ও ক্ষুদ্র ব্যবসা এক প্ল্যাটফর্মে, ডিএসসিসিতে প্রস্তাব ‘প্রতিবেশী প্ল্যাটফর্ম’

হরমুজ ইস্যুতে ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান ব্রিটেন-জার্মানি-গ্রিসের

যুদ্ধে পাশে থাকায় পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আরাঘচি

স্বস্তির ঈদযাত্রা নিশ্চিতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে: লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে মন্ত্রী

চসিক মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক রইস উদ্দিন

খাল পুনঃখননে দ্বিগুণ-তিনগুণ ফসল উৎপাদন হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

জাবি শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় স্বামী ফাহিমকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ

ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী

উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বড় রদবদল: কয়েক বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ঘোষণা

জাবি শিক্ষার্থী খাদিজা হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি টিআইবির

প্রধানমন্ত্রীর খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানাই: জামায়াত আমির

ইউজিসির নতুন চেয়ারম্যান ঢাবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ

লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি করা হবে পরীক্ষার ভিত্তিতে: শিক্ষামন্ত্রী