ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২

অগোছালো শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরি

আলিমা আফরোজ লিমা
১৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:৫৫
আপডেট  : ১৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:১৪

শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড। একটি জাতিকে ধ্বংস করার জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রকে ধ্বংস করা যথেষ্ট।সুষ্ঠু এবং সাবলীল শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম অন্তরায় জাল সনদ।জাল সনদের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আড়ালে বৈধ সনদধারী আজ শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকের অবস্হান হারাতে বসেছে।

এরূপ শিক্ষা ব্যবস্হায় প্রকৃত শিক্ষা এবং জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়।এজন্য নতুন রাষ্ট্র গড়ার প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ।জাল সনদের অন্তরালে প্রকৃত সনদধারীরা যেন হারিয়ে না যায় সেটা নিশ্চিত করা। একমাত্র বৈধ সনদধারীদের যোগ্য সম্মান এবং শ্রেণীকক্ষে পাঠদানের ব্যাবস্থা করে দেওয়ার মাধ্যমেই শিক্ষা ব্যবস্থাকে কলুষমুক্ত করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে সৎ উদ্দেশ্য এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা একান্ত কাম্য। বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে যে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং ঘুষ বাণিজ্য চলেছে তা একটি জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখ জনক।এই কলুষিত শিক্ষা এবং নিয়োগ ব্যবস্থাকে অচিরেই কলুষমুক্ত করে জাতিকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ বতর্মান বৈষম্য বিরোধী সরকারকেই করে দিতে হবে। তা না হলে ভূত সর্ষের ভিতরেই থেকে যাবে।

আজকে বৈধ সনদধারী শিক্ষকেরা রাস্তায় অধিকারের আন্দোলন করে আর অবৈধ সনদধারী শিক্ষক হিসেবে দেদারসে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ কেমন শিক্ষা ব্যবস্থা? এই হেন অবস্থা থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রকে মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।পত্র পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় নানা রকম জাল সনদের তথ্যাদি একে একে বের হয়ে আসছে।

অর্থের বিনিময়ে সনদ বিক্রি, একই রোল নম্বর ব্যবহার করে একাধিক ব্যাক্তিকে নিয়োগ। এছাড়া নিয়োগ বাণিজ্যে মেতে উঠা ফ্যাসিষ্ট সরকারের অগোছালো শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার জরুরী। শিক্ষা ক্ষেত্র থেকে বৈষম্য দূর মানে জাতিকে কলুষিত অধ্যায় থেকে মুক্ত করা। এক্ষেত্রে সরকারের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক : শিক্ষক ও অনলাইন নিউজ এডিটর, দৈনিক আমার বার্তা।

আমার বার্তা/আলিমা আফরোজ লিমা/এল/এমই

মধ্যপ্রাচ্যের নতুন সমীকরণ: সংঘাত নাকি দীর্ঘমেয়াদী অস্থিরতা?

একবিংশ শতাব্দীতে এসে ভূ-রাজনীতির সবচেয়ে জটিল এবং অমীমাংসিত সমীকরণটির নাম ‘মধ্যপ্রাচ্য’। গত কয়েক দশকে এই

জুলাই সনদ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং বাংলাদেশের হারানো বিশ্বাস

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, গণভোট এবং জুলাই সনদের ধারণ সবচেয়ে বেশি বহন করেছেন

বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে এআই ড্রোন ব্যবহার করুন

বাংলাদেশের সামনে আর সময় নেই। নির্বাচন যত এগোচ্ছে, তত স্পষ্ট হচ্ছে যে প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা

স্কিলড মাইগ্রেশন ছাড়া ভবিষ্যৎ রেমিট্যান্স কি টেকসই?

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স দীর্ঘদিন ধরেই একটি নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা, গ্রামীণ ভোগব্যয়
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতেই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন: শাহবাজ শরিফ

ছয় লাশ পোড়ানো মামলার রায়: ১৬ আসামির ভাগ্য নির্ধারণ আজ

০৫ ফেব্রুয়ারি ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা

৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুজ্জামান বরখাস্ত

জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহারে আবু সাঈদ, হাদি ও আবরারের ছবি

ভোটারদের মুরগি-চাল দিয়ে প্রভাবিত করছে জামায়াত: আমিনুল হকের অভিযোগ

কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় সেনাবাহিনীর অভিযান, দেশীয় অস্ত্র ও বোমা উদ্ধার

পুলিশের মধ্যে কোনো ভীতি কাজ করছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

জামায়াতের জনতার ইশতেহার: রাষ্ট্র সংস্কার থেকে আত্মনির্ভরতার বার্তা

গুপ্ত হিসেবে পরিচিতরা ভুয়া সিল-ব্যালট ছাপাচ্ছে: তারেক রহমান

জালিমদের নেতা নারীদের নিয়ে ‌‘কলঙ্কিত’ শব্দ ব্যবহার করেছেন

সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য: ডা. জুবাইদা রহমান

নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে হতাশার শেষ থাকবে না: নজরুল ইসলাম

শিক্ষা বোর্ডের আপিল কমিটির শুনানিতে ২২ শিক্ষক-কর্মচারীকে তলব

নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জামায়াতে ইসলামের নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

শিল্পকলা একাডেমি আইনের কিছু সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ

মানুষের কণ্ঠরোধে ‘গুপ্ত গোষ্ঠীর’ ষড়যন্ত্র চলছে: তারেক রহমান

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ১৯৫, আহত ১১ হাজার

নির্বাচনী প্রচারণায় নারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ