
বিপিএলের দ্বাদশ আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আজ (রোববার)। ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার সন্দেহে দেশীয় ক্রিকেটারদের তালিকায় নাম নেই এনামুল হক বিজয়সহ আরও বেশ কয়েকজনের। যা নিয়ে জানতে বিজয় বিসিবির উচ্চপদস্থদের কাছে ফোন করলেও সাড়া না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। পরবর্তীতে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে লাইভে এসে বিসিবির দিকে পাল্টা আঙুল তুলেছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
বিসিবি ও বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে প্রশ্ন রেখে বিজয় বলেন, ‘আমি এই লাইভটা করতাম না, যদি বিসিবিকে ফোনে পেতাম। আমি মেইলের মাধ্যমেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি...। যদি তারা রেসপন্স করতো তাহলে হয়তো এই লাইভটা করতে হতো না। কিন্তু এখন আর উপায় নেই। আমার প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে, নিউজের পর আমি ড্রাফট (নিলাম) থেকে বাদ পড়লাম, এর কারণটা কী? আমি কি দোষী? দোষী হয়ে থাকলে প্রমাণ চাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের মানুষের পক্ষ হয়ে বিসিবি, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে বলতে চাই...আমি যদি দোষী হয়ে থাকি, আমাকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করে দেন। আমি তো অনেকের পছন্দের খেলোয়াড় না, অনেকের কাছে ভালো সতীর্থও না। হয়তো অনেকের কাছে ভালো খেলোয়াড়ও না। তাহলে ঠিক আছে আমার আর খেলা লাগবে না। দোষী হয়ে থাকলে আমার আর খেলা লাগবে না।’
দোষী প্রমাণ হওয়ার আগে বিপিএলের ড্রাফট থেকে বাদ দেওয়া সম্মানহানি হচ্ছে দাবি করে তা ফেরত দেওয়ার দাবি তুলেছেন বিজয়, ‘আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই আসলে সমাধানটা কী হবে। এটাই আমার পয়েন্ট। গত বছর যা হয়েছে তা তো হয়েছেই। আপনার কাছে যদি প্রমাণ থাকে আমাকে নিষিদ্ধ করে দেন। আমি খুশি মনে মেনে নেব। সারা বাংলাদেশের মানুষ জানুক আমি খারাপ, আমি অপরাধী, আমি ভালো মানুষ না। আর যদি না হয় তাহলে আমার এই সম্মান আপনাকে ফেরত দিতে হবে। আমার মানহানি যে হচ্ছে সেটা ফেরত দিতে হবে।’
প্রসঙ্গত, আজ বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় বিপিএলের নিলাম শুরু হবে, যা চলবে রাত ৮-৯টা পর্যন্ত। এজন্য গতকাল দেশীয় ক্রিকেটারদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে বিসিবি। যেখানে সবমিলিয়ে ১৫৮ জনের জায়গা হয়েছে। সেখানে বাদ পড়েছেন ৮ জন– এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, মিজানুর রহমান, নিহাদ-উজ্জামান, সানজামুল ইসলাম, মনির হোসেন খান ও শফিউল ইসলাম।
আমার বার্তা/জেএইচ

