ই-পেপার সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩৩
কেমন কৃষি মন্ত্রী চাই

বাংলাদেশের কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য আদর্শ নেতৃত্ব

ড. মো. আনোয়ার হোসেন:
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৩৭

বাংলাদেশের কৃষি খাত দেশের অর্থনীতি, সামাজিক, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কৃষি দেশের প্রাণনালি হিসেবে কাজ করছে, যেখানে উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে প্রত্যেক মানুষের জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যদিও শিল্প ও সেবা খাতের বৃদ্ধির কারণে কৃষির অর্থনৈতিক অবদান ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে কিন্তু এটি এখনও দেশের মোট উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আমি চাই এমন একজন কৃষি মন্ত্রী, যিনি শুধু নীতি প্রণয়ন করবেন না, বরং কৃষক, প্রযুক্তি, বাজার, গবেষণা এবং জলবায়ু সংক্রান্ত দিকগুলোকে সমন্বয় করে একটি টেকসই, আধুনিক এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক কৃষিখাতের দিকে নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর নেতৃত্বে কৃষি খাত হবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, দারিদ্র্য-হ্রাস, প্রযুক্তিনির্ভর এবং কৃষক-কেন্দ্রিক।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের কৃষি খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো স্পষ্ট। দেশের মোট আবাদযোগ্য জমি প্রায় ৮৮.২৯ লাখ হেক্টর, যেখানে ফসলের নিবিড়তা প্রায় ১৯৮ শতাংশ, অর্থাৎ একই জমিতে একাধিক ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে। কৃষি খাত GDP-তে প্রায় ১১ শতাংশ অবদান রাখছে, যা গত দশক ধরে ধীরে কমছে। FY 2024-25 সালে কৃষি প্রবৃদ্ধি মাত্র ১.৭৯ শতাংশ, যা গত এক দশকে সবচেয়ে কম। প্রযুক্তি, যান্ত্রিকীকরণ, ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থাপনা, বাজার সংযোগ, কৃষি গবেষণা এবং উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা যদি আরও শক্তিশালী করা যায়, তবে কৃষিখাতকে শুধুমাত্র বর্তমান চ্যালেঞ্জ থেকে মুক্তি দেয়া সম্ভব হবে না, বরং এটি একটি শক্তিশালী, টেকসই এবং বৈজ্ঞানিক ভিত্তিক খাতে রূপান্তর করা সম্ভব হবে।

একজন আদর্শ কৃষি মন্ত্রীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো দূরদর্শীতা। তিনি দেশের দীর্ঘমেয়াদী কৃষি উন্নয়নের কৌশল এবং খাদ্য নিরাপত্তার জন্য দৃঢ় নীতি প্রণয়নে সক্ষম হবেন। শুধু সংকটমোচন নয়, বরং প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক বাজারের চাপে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণেও দক্ষ হবেন। নীতি প্রণয়নের পাশাপাশি, তিনি আধুনিক প্রযুক্তি এবং গবেষণার সঙ্গে সমন্বয় করে কৃষিখাতকে সর্বোচ্চ সম্ভাব্য উৎপাদনশীলতা অর্জনে সক্ষম করবেন। তিনি এমন নীতি গ্রহণ করবেন যা প্রিসিশন কৃষি, ডিজিটাল কৃষি, agro-processing industry এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পকে একত্রিত করবে।

প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে নেতৃত্বদান একজন কৃষি মন্ত্রীর অপরিহার্য গুণ। প্রিসিশন (সুনির্দিষ্ট) কৃষি বা Precision Agriculture, IoT সেন্সর, ড্রোন, GIS ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি ফসলের স্বাস্থ্য, মাটির আর্দ্রতা, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনায় বৈজ্ঞানিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংস্কৃতি প্রবর্তন করবেন। কৃষকদের জন্য এটি রোগ ও কীটনাশকের যথাযথ ব্যবহার, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং খরচ কমানোর সুযোগ দেবে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় সেচ ব্যবস্থার প্রসার শ্রমনির্ভরতা কমাবে, সময়মতো ফসল উৎপাদন নিশ্চিত করবে এবং ক্ষয় কমাবে। এ ধরনের প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে সরকারী সাবসিডি, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং public-private partnership নিশ্চিত করতে হবে।

ডিজিটাল কৃষি এবং তথ্য-ভিত্তিক বাজার ব্যবস্থার প্রসার একজন কৃষি মন্ত্রীর দৃষ্টিকোণে অপরিহার্য। মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কৃষক রোগ, সার, বীজ, আবহাওয়াএবং বাজারমূল্য সম্পর্কে রিয়েল-টাইম তথ্য পাবে। আধুনিক বাজার ব্যবস্থাপনা কৃষকদের সরাসরি শিল্প এবং ক্রেতার সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা পরিবহণ খরচ কমায় এবং ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে। প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে কৃষক সঠিক সময়ে ফসল রোপণ ও সংগ্রহ করতে সক্ষম হবেন এবং ফসলের ক্ষতি ও আর্থিক ঝুঁকি কমবে।

কৃষি ঋণ ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের নীতির ক্ষেত্রে একজন কৃষি মন্ত্রীর অপরিহার্য ভূমিকা থাকে। সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকের মাঝে ঋণ প্রদান সুবিধা, মাইক্রোফাইন্যান্স, crop insurance এবং agro-venture capital ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যা কৃষকের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং প্রযুক্তি ও আধুনিক যন্ত্রে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে। আর্থিক সহায়তা কৃষকের আয় বৃদ্ধি করবে, উৎপাদন খরচ কমাবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

কৃষি বাজার ও অর্থনীতি সমন্বয় একজন কৃষি মন্ত্রীর আরেকটি প্রধান দায়িত্ব। কৃষিভিত্তিক শিল্প, বাজার এবং সরবরাহ চেইন উন্নয়ন দেশের কৃষিখাতকে শক্তিশালী করে। Agro-processing industries যেমন খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, তেল, ডাল এবং নিরামিষ খাদ্য উৎপাদন কৃষকদের সরাসরি শিল্প ও বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করে। Cold storage এবং warehouse network উন্নয়ন ফসল সংরক্ষণ, মূল্যমান নিশ্চিতকরণ এবং বাজার সংযোগে সহায়তা করে। ডিজিটাল বাজার ব্যবস্থা সরাসরি কৃষক থেকে শিল্প এবং খুচরো ক্রেতা পর্যন্ত স্বচ্ছতা প্রদান করে, যা খাদ্য নিরাপত্তা এবং টেকসই উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

একজন আদর্শ কৃষি মন্ত্রী কৃষি শিক্ষা, গবেষণা এবং উদ্ভাবনের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হতে হবে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট এবং গবেষণা কেন্দ্রগুলির সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি নতুন ফসলের জাত, রোগ প্রতিরোধ প্রযুক্তি এবং আধুনিক যান্ত্রিকীকরণে উদ্ভাবন নিশ্চিত করবেন। Field-based research collaboration-এর মাধ্যমে কৃষক ও বিজ্ঞানীর সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে, যা নতুন উদ্ভাবনকে বাস্তবায়নে দ্রুততা প্রদান করবে। শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষক নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে আগ্রহী হবেন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রীর নীতি সংযুক্ত থাকতে হবে। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বন্যা, খরা, ঝড় এবং সাইক্লোনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে প্রতিদিন লড়াই করে। একজন আদর্শ মন্ত্রী climate-resilient agriculture বা জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি, পরিবেশ বান্ধব সার এবং মাটির রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করবেন। তিনি দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পরিবেশ, প্রযুক্তি এবং কৃষককে সমন্বয় করবেন।

একজন আদর্শ কৃষি মন্ত্রীর নেতৃত্বের ফলাফল স্পষ্ট। তিনি কৃষিখাতকে এমনভাবে পরিচালনা করবেন যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে, কৃষিভিত্তিক শিল্প সম্প্রসারিত হবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকের আয় ও জীবনমান উন্নত হবে। দারিদ্র্য হ্রাস এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। প্রযুক্তি, গবেষণা, শিক্ষা এবং বাজার সংযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানের কৃষিখাত গড়ে তুলবে।

বাস্তবায়ন কাঠামোতে তিনটি পর্যায়ের সময়সীমা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম পর্যায়ে (২০২৫-২০২৭) ডিজিটাল কৃষি এবং Precision Agriculture পাইলট প্রকল্প, Micro-credit ও Crop insurance কার্যকর করা এবং Training Centres স্থাপন করা। মধ্যম পর্যায়ে (২০২৮-২০৩১) Agro-industry linkage কার্যকর করা, Cold storage এবং warehouse network তৈরি এবং mechanized agriculture সম্প্রসারণ করা। দীর্ঘমেয়াদে (২০৩২-২০৩৫) পুরো দেশের জন্য Smart Agriculture বাস্তবায়ন, export-oriented agro-products value chain তৈরি এবং climate-adaptive farming ecosystem গড়ে তোলা।

উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে পাইলট প্রোজেক্টে ড্রোন এবং IoT সেন্সরের মাধ্যমে ধান ও সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার প্রমাণ মিলেছে। মেশিন লার্নিং মডেল crop yield prediction‑এ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। ডিজিটাল কৃষি তথ্য সরবরাহ করে কৃষকরা বাজারমূল্য এবং আবহাওয়া সম্পর্কে রিয়েল-টাইমে তথ্য পেয়েছেন, যা তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয়েছে।

আমি চাই এমন একজন কৃষি মন্ত্রী, যিনি দূরদর্শী, প্রযুক্তিনির্ভর, কৃষক-কেন্দ্রিক এবং বৈজ্ঞানিকভাবে দক্ষ। যিনি নীতি প্রণয়ন থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বাংলাদেশের কৃষিখাতকে সুসংগঠিত ও কার্যকর নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, দারিদ্র্যমুক্ত, আধুনিক, বৈজ্ঞানিক এবং টেকসই কৃষিখাত গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী উপরোক্ত বিষয়সমূহ—প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তর, কৃষক কল্যাণ, বাজার সংস্কার, গবেষণা-সমন্বয়, জলবায়ু সহনশীলতা এবং দীর্ঘমেয়াদী খাদ্য নিরাপত্তা—গভীরভাবে বিবেচনা করে এমন একজন কৃষি মন্ত্রী নির্বাচিত করবেন, যিনি প্রমাণিত দক্ষতা, সততা, নীতি-দৃঢ়তা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কৃষিখাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম। এই নির্বাচন হবে কেবল রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, বরং জ্ঞানভিত্তিক নেতৃত্ব, প্রশাসনিক সক্ষমতা, গবেষণা-সমঝোতা এবং প্রযুক্তি গ্রহণে সাহসী দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে।

একজন যোগ্য কৃষি মন্ত্রী দেশের কৃষি নীতিতে ধারাবাহিকতা, বিনিয়োগে আস্থা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় বিশ্বাসযোগ্যতা এবং কৃষকদের মাঝে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করবে। দীর্ঘমেয়াদী কৃষি রূপান্তরের জন্য নেতৃত্বের স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তাই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী এমন ব্যক্তিকেই দায়িত্ব প্রদান করবেন, যিনি নীতি থেকে মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন পর্যন্ত সমন্বিত পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম এবং যিনি কৃষিকে শুধু উৎপাদন খাত নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমন নেতৃত্বই বাংলাদেশের কৃষিখাতকে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, উদ্ভাবনসমৃদ্ধ, রপ্তানিমুখী ও টেকসই অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

লেখক :প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্প পরিচালক, এলএসটিডি প্রকল্প। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

আমার বার্তা/ড. মো. আনোয়ার হোসেন/এমই

নব-নির্বাচিত সরকারের প্রথম ১২০ দিনই নির্ধারণ করবে রাষ্ট্র পরিচালনার ভবিষ্যৎ পথরেখা

জনগণের আস্থা পুনর্গঠন, কাঠামোগত সংস্কার, বাণিজ্যিক গণতন্ত্রের চর্চা ও টেকসই রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন শাসনদর্শনের ভিত্তি

রাষ্ট্রের চোখ বন্ধ, আঙুলের ছোঁয়ায় হারাচ্ছে আস্থা

বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে আজ এক গভীর আস্থার সংকটে দাঁড়িয়ে আছে। টাকা আর কাগজে নয়—ঘুরছে আঙুলের

বইবোঝাই গাধা ও নৈতিকতার সংকট

কুরআনের সূরা আল জুমুআয় ‌‘বইবোঝাই গাধা’র যে রূপকটি এসেছে, তা অজ্ঞতার বিরুদ্ধে নয়, বরং শিক্ষিত

একটি বাংলাদেশ আমি জাগ্রত জনতার

আমার নাম এখন বাংলাদেশ। আমি শুধু এক ভূখণ্ড নয়, এক জীবন্ত ইতিহাস, এক ভাষার মেলবন্ধন,
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শপথ অনুষ্ঠানে হেফাজত আমিরকে আমন্ত্রণ জানালেন তারেক রহমান

নতুন করে সাজানো হয়েছে জাতীয় সংসদ, চারদিকে নিরাপত্তা বলয়

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকায় নির্বাচন প্রশংসিত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজ কার্যালয়ে বিদায়ী ভাষণ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা, করলেন ফটোসেশন

নতুন সরকারের শপথগ্রহণ মঙ্গলবার: বন্ধ থাকবে ঢাকার যেসব সড়ক

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা

সম্মিলিত আফ্রিকান কর্মকাণ্ডে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত মরক্কোর

বাংলাদেশের কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য আদর্শ নেতৃত্ব

ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের: হুমায়ুন কবির

আফগানিস্তানের জয়ে সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা

নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপাদান দেখা যায়নি: টিআইবি

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের 'আমার বার্তা' অফিস পরিদর্শন

রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম-ইউটিউবে টাকার নোটের কনটেন্ট, হতে পারে জেল-জরিমানা

ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাই, তবে হাসিনাকে ফেরত দেওয়া উচিত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার জনসহ নিহত ৫

মঙ্গলবার থেকে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু, মিলবে ছোলা ও খেজুর

ঢাকা-১৭ রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দিচ্ছেন তারেক রহমান

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন