ই-পেপার মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানালেন ব্রি মহাপরিচালক

অনক আলী হোসেন শাহিদী:
১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:৩৭
আপডেট  : ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৪:৫৪
ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান, মহাপরিচালক।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট (ব্রি) এর মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেছেন- “ইটালির রোমে জাতি সংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত ওয়াল্ড ফুট ফোরামের বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছেন আমাদের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস সহ কৃষি সচিব ডঃ মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বৃন্দ। আমাদের এদেশ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা নিয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট- (ব্রি) দেশের খাদ্য নিরাপত্ত নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধানের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে ক্ষূধামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ইতিবাচক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এ সাফল্য আমাদের কৃষি মন্ত্রনালয়ের। আমাদের সরকার প্রধানের। আমাদের কৃষি মন্ত্রনালয়ের ইতিবাচক দিক নির্দেশনা, পরিকল্পনা প্রনয়ন ও তার বাস্তবায়নের কারনেই- বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট- দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ কারনে আমি ব্রির পক্ষ থেকে মাননীয় কৃষি উপদেষ্টা লেঃ জেঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব:) ও কৃষি সচিব ডঃ মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান মহোদয়কে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। এইসাথে- এ সম্মেলনে তাদের ইতিবাচক- ভূমিকা পালনকে বিনয়ের সাথে অভিনন্দন জানাচ্ছি”- ব্রির মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান- এই প্রতিনিধিকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন।

উল্লেখ যে-আমরা জাতি সংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফ এ ও) আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মূলত: কি কাজ করছে-এমন প্রশ্ন করলে - তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করে তাঁর প্রতিষ্ঠান (ব্রি) এর নানা বাস্তব কার্যক্রম তুলে ধরেন।

ব্রির মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান এই প্রতিনিধিকে বলেন- "আপনি নিশ্চয়ই জানেন বিগত ৫৫ বছরে দেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমান ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেলেও খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে চার গুনের বেশী। ১৯৭০-১৯৭১ সালে এদেশে জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি আর চালের উৎপাদন ছিল মাত্র ১ কোটি টন । দীর্ঘ ৫৫ বছরের ব্যবধানে আজ ২০২৫ সালে এসে দেশে যখন জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। আগে যে জমিতে হেক্টর প্রতি ২-৩ টন ফলন হতো-এখন উফশী জাতের ব্যবহারের কারনে ফলন হচ্ছে ৬-৮ টন। বর্তমানে চাল উৎপাদন হয়েছে গত ২০২৪- ২০২৫ অর্থ বছরে ৪ কোটি ১৫ লাখ টনের বেশী। এই উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে ব্রির উদ্ভাবিত জাতের অবদান প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ। বর্তমানে দেশে জমির প্রায় ৭৭ শতাংশ জমিতে ব্রি উদ্ভাবিত জাত চাষ করা হয়। বোরো মৌসুমের ধানের ৮২ শতাংশ, আউশ মৌসুমের ৩৬ শতাংশ এবং আমন মৌসুমের ৪৭ শতাংশ জমিতে ব্রি জাতের ধান চাষ হচ্ছে। এ সময় নিয়মিত আমাদের চাল আমদানী করতে হতো- কিন্তু ব্রির আধুনিক জাত ও প্রযুক্তির কারণে ১৯৯০ সালের দিকে দেশ খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্নতার কাছাকাছি পৌছে যায়। বর্তমানে বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়”।

তিনি বলেন- “ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ব্রি প্রনয়ন করেছে- “রাইস ভিশন-২০৫০” এবং ডাবলিং রাইস প্রডাক্টিভিটি”- নামে দুটি কৌশলপত্র। এতে লক্ষ নির্ধারন করা হয়েছে- ২০২৩ সালের মধ্যে ধানের উৎপাদনশীলতা দ্বিগুন করা, ২০৪১ সালের মধ্যে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরন করা। গবেষনায়- অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে অতি উচ্চফলনশীল জাত (১২-১৪ টন প্রতি হেক্টর), হাইব্রিড ও ট্রান্সজেনেটিক ধান, প্রতিকূল পরিবেশ সহিঞ্চু জাত, অধিক মিটামিন ও আয়রন সমৃদ্ধ ধান এবং রপ্তানীযোগ্য সুগন্ধি জাত উদ্ধাবনে। একই সঙ্গে কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারে মাধ্যমে কৃষিকে স্মার্ট ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে”।

ব্রি মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান- এই প্রতিনিধিকে বলেন- “ব্রির-এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আগামী-২০৫০ সালে এ দেশে চালের উৎপাদন হবে ৪ কোটি ৭২ লাখ টন। এ উৎপাদনের বিপরীতে ২০৫০ সালে ২১ কোটি ৫৪ লাখ লোকের খাদ্য চাহিদা পূরনে চাল প্রয়োজন হবে- ৪ কোটি ৪৬ লাখ টন। অর্থাৎ চালের বর্তমান উৎপাদন প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে দেশে ২৬ লাখ টন চাল উদ্ধুত্ত থাকবে। এই অভীষ্ট লক্ষ্য সামনে রেখে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে আমরা কাজ করছি”।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন- “আপনি জেনে খুশী হবেন যে- ধান গবেষনায়- আমাদের এ সাফল্য দেশের সীমা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক বিশ্বে। ওয়াল্ড ফুড ফোরামের- এ সম্মেলনে- আমরা জানাতে চাই- বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট উদ্ভাবিত ধানের জাত দেশের এ সীমা ছাড়িয়ে আবাদে হচ্ছে বিদেশের বেশ কিছু দেশে। এ দেশগুলোর মধ্যে ভারত, নেপাল, ভুটান, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, চীন, কোরিয়া, ইরাক, ঘানা গান্বিয়া, বুরুন্ডি সিয়েরালিয়েন সহ অনেক দেশ। এ দেশ গুলো ব্রির উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্যবহার করছে। পৃথিবীর ১৪টি দেশে বর্তমানে ১৯ জাতের ব্রি-ধানের আবাদ হচ্ছে। বিজ্ঞান ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ন স্বাধীনতা দিবস স্বর্ণপদক ও ৩ বার রাষ্ট্রপতি পদক ও ২ বার জাতীয় কৃষি পদক সহ-জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৩০ টি পুরস্কার লাভ করেছে”।

ব্রি-মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকজ্জামান তাঁর প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক কার্যক্রমের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন-“অর্থনীতি কোন দেশের শিল্প, সাহিত্য, কিংবা রাজনীতি- সব কিছুই নিয়ন্ত্রিত হয় খাদ্য নিরাপত্তা দিয়ে। দেশের জনসংখ্যা যখন ১৭ কোটি তখন এত মানুষের খাবারের যোগান দেয়া এতো সহজ কথা নয়। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই বিশাল চ্যালেঞ্জই গত ৫৫ বছর ধরে মোকাবেলা করে যাচ্ছে দেশের ধান বিজ্ঞানীরা। সত্তর দশর্কের প্রথম দিকে সদ্য স্বাধীন দেশে প্রবর্তন করা হলো উফশী জাত আই আর-৮। ব্রির বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করলেন তিন মওসুমে চাষ উপযোগী উচ্চ ফলনশীল ধানের আধুনিক জাত বি আর ৩। যা বিপ্লব ধান নামে পরিচিতি পায়।

সুগন্ধি চালের ধান উদ্ভাবন করেছে ব্রি। যেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানীযোগ্য। বিশ্বের প্রথম জিঙ্ক সমৃদ্ধ ধান-৬২ সহ ৭টি জিঙ্ক সমৃদ্ধ জাত উদ্ভাবন করে বাংলাদেশকে বিশ্বে গৌরবময় অবস্থানে নিয়ে যায়। বর্তমানে জিঙ্ক, আয়রন, প্রোটিন সমৃদ্ধ জাত কৃষকের হতে পৌছেছে”।

ব্রি র কাজের পরিধি বনর্না করতে গিয়ে মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান এই প্রতিনিধিকে আরো বলেন- “বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট- তার কার্যক্রমের শুরুতে সীমিত আকারে কাজ কার্যক্রম শুরু করেছিল। কয়েকটি গবেষণা বিভাগ এবং হাতে গোনা কিছু বিজ্ঞানী নিয়ে কাজ শুরু হলেও সময়ের সাথে সাথে ব্রি প্রসারিত হয়েছে। এখন সদর দপ্তরে রয়েছে ১৯টি গবেষনা বিভাগ, ২০টির বেশী আধুনিক গবেষনাগার, উন্নতমানের জার্মপ্লাজম সেন্টার বা জিন ব্যাংক, গ্রীন হাউজ, নেট হাউজ ও ৭৬ একরের বেশী পরীক্ষন মাঠ। সারা দেশে ১৭ আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ৬টি স্যাটেলাইট ষ্টেষনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে গবেষনা পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ব্রি-তে ৩১৮ জন বিজ্ঞানীসহ ৮০০ জনের বেশী কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করছেন। এ সব কর্মকর্তা মধ্যে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ উচ্চতর ডিগ্রিধারী বিজ্ঞানী”।

তিনি বলেন- “ধান গবেষনার পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরনে ও ব্রি যুগান্তকারী অবদান রেখেছে। ব্রির ফার্ম মেশিনারী অ্যান্ড পোষ্ট হারভেষ্ট টেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫০টির বেশী কৃষি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে। এ সব কৃষিযন্ত্র কৃষকের শ্রম সাশ্রয় করেছে। উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনতে সহায়তা সহ সময়মত চাষাবাদ নিশ্চিত করেছে। জাত উদ্ভাবন ও যান্ত্রিকাীকরন ছাড়াও মাটি, পানি, সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ৩০০ অধিক ধান উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে- এই প্রতিষ্ঠানটি”।

পরিশেষে মহাপরিচালক ডঃ মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান এই প্রতিনিধিকে বলেন- “বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট এর সাফল্যের পেছনে রয়েছে কৃষি মন্ত্রনালয়ের সর্বাত্বক ইতিবাচক সহযোগিতা। বিশেষ করে কৃষি সচিব ডঃ মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান-এর দূরদর্শী সিদ্ধান্তে- ব্রি তার সকল সমস্যা কটিয়ে উঠতে সক্ষম হচ্ছে। গবেষনা কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। একই সাথে ওয়ান্ড ফুড ফোরামে- বাংলাদেশের অংশ গ্রহনে যে অভিজ্ঞতা অর্জিত হবে- তা আমাদের প্রতিষ্ঠানকে আরও সমৃদ্ধ করবে। ইনসাল্লাহ।

আমার বার্তা/এমই

দেশের সমৃদ্ধ অর্থনীতির জন্য ব্যবসা: বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নীতি সাহায়তা জরুরি

সাফিক শামীম বাংলাদেশের তরুণ আইকন উদ্যোক্তা। বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়নের

পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা আনসারের ঢাকায় অবৈধ সম্পদের পাহাড়!

সাবেক পুলিশের কর্মকর্তা আনসার আলী চাকরিতে বহাল থাকাকালীন দুর্নীতির মাধ্যমে করেছেন অডেল সম্পদের পাহাড়, মিরপুর

সিন্ডিকেট প্রথা ভেঙ্গে সকল বায়রা সদস্যের ব্যবসার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানী খাতের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। বায়রার জনপ্রিয় নেতা। তার

যমুনা অয়েলের তেল চোর সিন্ডিকেট প্রধান হেলাল উদ্দিন

১২ ডিসেম্বর ভোর রাত থেকে আত্নগোপনে যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের সদ্য বিদায়ী ডিজিএম অপারেশন, তেল
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসান আর নেই

খালেদা জিয়ার জানাজায় তারেক রহমানকে সান্ত্বনা জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার জানাজা, গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ

জানাজায় বিপুল জনসমাগম মৃতের জন্য যে সৌভাগ্য বয়ে আনে

রাষ্ট্রীয় শোকে রাজধানীতে আতশবাজি-সব ধরনের উৎসব নিষিদ্ধ: ডিএমপি

মাকে কবরে রেখে বিষণ্ন মনে বাসায় ফিরলেন তারেক রহমান

নতুন বছরে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা বেগবান হবে: আশা প্রধান উপদেষ্টার

ভারতে চলন্ত ভ্যানে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২ ঘণ্টা পর রাস্তায় নিক্ষেপ

পোস্টাল ভোট দিতে ১১ লাখ নিবন্ধন, ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়াল ইসি

খালেদা জিয়া স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে ছিলেন: আনিসুল ইসলাম

মধুপুরে যানজট নিরসনে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

"পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি" চুক্তির বিরুদ্ধে রাজপথে আপোষহীন ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া

সম্পর্ক উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে: চীনা মুখপাত্র

ডাকাতির গরু বাঁচাতে ক্যাভার্ড ভ্যানে অক্সিজেন রাখতেন ডাকাত

কথা রাখলেন খালেদা জিয়া, দেশের মাটিতে স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায়

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে ছবি-ভিডিও বানাবেন যেভাবে

জানাজায় অংশ নিতে আসা বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে উপদেষ্টাদের সাক্ষাৎ

সিলেট স্টেডিয়ামে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত

বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় ৫০ প্লাটুন আনসার ও টিডিপি মোতায়েন

খালেদা জিয়ার জানাজায় পদদলিত হয়ে একজনের মৃত্যু