
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান অসিম মুনির বেইজিং সফরে গেছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বেইজিংয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন শেহবাজ শরিফ।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন তাঁর কর্মকর্তাদের চুক্তির বিষয়ে তাড়াহুড়া না করার নির্দেশ দিলেন, ঠিক তখনই শি জিনপিং ও শেহবাজের বৈঠক হলো।
সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটির আগে শেহবাজ শরিফ চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। তবে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের বিস্তারিত আলোচনার বিষয়বস্তু চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
চীন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় ইতিবাচক অবদান রাখার জন্য তারা পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা হিসেবে তেহরান গিয়েছিলেন অসিম মুনির। তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভী।
এদিকে ভারতে অবস্থানরত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে আজ সোমবারই একটি চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে। এই মুহূর্তে আলোচনার টেবিলে একটি জোরালো প্রস্তাব আছে। আমরা ভেবেছিলাম গতকাল (রোববার) রাতেই হয়তো কোনো খবর পাব, এখন সেটি আজ পেতে পারি।’
মার্কো রুবিও আরও বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে হয় একটি ভালো চুক্তি হবে, অথবা দেশটির বিরুদ্ধে ‘অন্য কোনো ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।’ বিকল্প ব্যবস্থাটি কেমন হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেননি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর কর্মকর্তাদের চুক্তি নিয়ে তাড়াহুড়া না করার নির্দেশ দেন। আর ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখনই চুক্তি হচ্ছে না। সোমবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আলোচনাধীন বিষয়গুলোর একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পেরেছি। এ কথা সত্য। কিন্তু চুক্তিতে স্বাক্ষর করা সময়ের ব্যাপার মাত্র- এমনটা বলা ঠিক হবে না।’
আমার বার্তা/এমই

